ঈদুল আজহার টানা ছয়দিনের ছুটি শেষে আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক-বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য অফিস খুললেও রাজধানীতে অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট এখনো খোলেনি। বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ বড় বড় মার্কেট। ব্যাংক-বিমাসহ অন্য অফিসগুলোতে ঈদের আমেজ কাটেনি।
ঈদের ছুটির পর প্রথম কার্যদিবসে কর্মস্থলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি খুব কম ছিল। মতিঝিল ব্যাংকপাড়া ঘুরে দেখা গেছে, অনেক কর্মকর্তাই অফিসে যোগদান করেছেন।
তবে এই স্বল্পসংখ্যক ব্যাংক কর্মীদেরও সেবাগ্রহীতার অভাবে অলস সময় কাটাতে হয়েছে। লেনদেন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। স্বল্পসংখ্যক গ্রাহকের সঙ্গে কর্মকর্তাদের ঈদের কুশলবিনিময় করে সময় কাটাতে দেখা গেছে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকেও স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে এখানেও অনেক কর্মকর্তাই এখনো কাজে যোগ দেননি বলে বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তরা ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ছয়দিনের টানা ছুটি থাকলেও ঈদ হয়েছে মাত্র দুদিন আগে। এ জন্য ঈদের আমেজ এখনো কাটেনি। ব্যাংকে অর্ধেকের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত হয়েছে। তবে গ্রাহকের অভাবে লেনদেন অনেক কম হচ্ছে।
মোশাররফ হোসেন আরো বলেন, ব্যবসায়ীরা এখনো দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালু না করায় গ্রাহকসংখ্যা কম। এতে বড় ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। আগামী সপ্তাহে ক্রমান্বয়ে লেনদেন বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বেসরকারি আইএফআইসি ব্যাংকের দারুস সালাম রোড শাখার ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, সাধারণ গ্রাহক থাকলেও ব্যবসায়ীদের কোনো ভিড় নেই। এ কারণে লেনদেন অনেক কম। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট চালু না হওয়া পর্যন্ত লেনদেন কম থাকবে বলে তিনি জানান।
নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, কাকরাইল-শান্তিনগরসহ রাজধানীর কয়েকটি মার্কেট ও শপিংমল ঘুরে দেখা গেছে, জনাকীর্ণ এসব এলাকা একেবারে ফাঁকা। অধিকাংশ দোকানপাট এখনো বন্ধ। কয়েকজন দোকানি জানালেন, মার্কেট পুরো চালু হতে আরো এক সপ্তাহ লেগে যাবে।
এমবি





