[b]ঢাকা: [/b]বিদায়ী বছর তথা ২০১৩ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ তেল ও চর্বি আমদানি হয়েছে। আলোচিত বছরে দেশে চর্বিসহ ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ৭৭০০০ টন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
আগের বছরের তুলনায় এটি ১০.১৮%। ২০১২ সালে দেশে আগের বছর ১৬ লাখ ১৬০০০ টন তেল আমদানি করা হয়েছিল। ১ বছরের ব্যবধানে তেল আমদানি বেড়েছে ১ লাখ ৬১০০০ টন। আমদানি-রপ্তানি পরিদপ্তর ও মালয়েশিয়ান পাম অয়েল প্রমোশন কাউন্সিল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তবে ভোজ্য তেলের আমদানি বাড়লেও সয়াবিন তেল ও সরিষার তেল আমদানি কমেছে। বেড়েছে পাম অয়েলের আমদানি। মূলত পাম অয়েলের উপর ভর করেই সামগ্রিক তেল আমদানিতে এতটা প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বছর আমদানি করা তেলের ৭১% পাম অয়েল। আলোচিত বছরে ১২ লাখ ৫৬০০০ টন পাম তেল আমদানি হয়েছে। এটিও ১টি রেকর্ড।
এর আগে এত বিপুল পরিমাণ পাম অয়েল আমদানি হয়নি দেশে। বিদায়ী বছরে পাম অয়েল আমদানি বেড়েছে ২২.৩৩%, যা তেল আমদানির প্রবৃদ্ধির চেয়ে অনেক বেশি। খাবার রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পেও পাম তেলের ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে।
আর এ কারণেই পাম তেল আমদানিতে এত বেশি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে বলে মনে করেন মালয়েশিয়ান পাম অয়েল প্রমোশন কাউন্সিলের বাংলাদেশ, নেপাল ও মায়ানমার অঞ্চলের ম্যানেজার এ কে এম ফখরুল আলম। জানা গেছে, গত বছর দেশে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে ৩ লাখ ৫৪০০০ টন, যা ২০১২ সালের তুলনায় ২০.৩৫% কম।
দেশে কিছু সয়াবিনও আমদানি হয়, যা থেকে স্থানীয়ভাবে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আহরণ করা হয়, তারপর পরিশোধনের মাধ্যমে বাজারজাত করা হয়। ২০১৩ সালে ৫ লাখ ৭৫০০০ টন সয়াবিন আমদানি করা হয়, যা থেকে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল আহরণের পরিমাণ ৯৯০৮৯ টন। গত বছর সয়াবিন আমদানির পরিমাণ ১১১ শতাংশ বেড়েছে।
জানা গেছে, সয়াবিন থেকে তেল আহরণের সময় সয়াবীন মিল উৎপাদিত হয়। দেশের পোল্ট্রিফিড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই সয়াবিন মিল ব্যবহৃত হয়। দেশে সয়ামিলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় সয়াবিন আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
২০১৩ সালে দেশে ৯৩ হাজার ৪৩৪ টন ক্যানোলা ও সরিষা বীজ আমদানি হয়েছে। এ থেকে আহরিত তেলের পরিমাণ ৩৫ হাজার ৫০৫ টন। আলোচিত বছরে ক্যানোলা ও সরিষার আমদানির পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
ভোজ্যতেল আমদানিতে রেকর্ড
ঢাকা: বিদায়ী বছর তথা ২০১৩ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ তেল ও চর্বি আমদানি হয়েছে। আলোচিত বছরে দেশে চর্বিসহ ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ৭৭০০০ টন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী
আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, রমজান ঘিরে বাজারে পণ্যের সংকট তৈরির আশঙ্কা নেই। একই সঙ্গে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ভোজ্যতেলের দাম বাড়াল সরকার
বোতলজাত ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় করে ৫ টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা থেকে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এ দাম সমন্বয় করা হয়।
ভোজ্যতেলের সরবরাহ এখন অনেকটাই স্বাভাবিক: বাণিজ্যমন্ত্রী
রাজধানীর বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এসময় তিনি বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ ‘অনেকটাই স্বাভাবিক’ বলে জানান।
আবারও বাড়ল ভোজ্যতেলের দাম
বাংলাদেশে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৯ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই নতুন দাম ঘোষণা করেন।
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না। রোববার দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
















