সপ্তাহের ব্যবধানে মাছ, মুরগি, সয়াবিন ও ডিমসহ দাম বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক মাস ধরে বেড়েই চলেছে মাছ ও মুরগির দাম। রাজধানীর বাজারগুলোয় এক মাস আগে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছিল ১২৮ থেকে ১৩০ টাকা।
বর্তমানে কিনতে হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। আর প্রতি কেজি দেশি মুরগি কিনতে হচ্ছে ৩০০ টাকায়।
পাকিস্তানি কক মুরগি কিনতে হচ্ছে ১৮০ টাকায়। অব্যাহতভাবে দেশি ও ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়ার কারণ হিসেবে শীত চলে যাওয়াকে দায়ী করছেন বিক্রেতারা। তারা বলছেন, গরমে মুরগির চাহিদা বাড়ে।
এ ছাড়া কয়েক মাসের টানা হরতাল-অবরোধে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অনেকেই ব্রয়লার মুরগির খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে সরবরাহ কমে গেছে; যার প্রভাব পড়ছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে।
পাশাপাশি মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম বেড়েছে। শনিবার এক কুড়ি কই মাছ বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়। এক কেজি মাঝারি সাইজের শিং মাছ বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকায়। ইলিশের দাম কিছুটা বেড়েছে। গতকাল বড় সাইজের এক জোড়া ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬০০, মাঝারি ১ হাজার ও ছোট সাইজের বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকায়।
তবে অপরিবর্তিত রয়েছে আলু, সবজিসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। প্রতি কেজি আলু ৮-১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অবশ্য লাল আলু বিক্রি হচ্ছে ১০-১২ টাকায়।এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ডিমের দামও বেড়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০, হাঁসের ও দেশি মুরগির ডিম ৩৬-৩৮ টাকায়।
অন্যদিকে ভারতীয় পিয়াজ ২৮, দেশি পিয়াজ ৩০, চায়না বড় রসুন ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি রসুন ৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চীনা আদা ১২০, ইন্দোনেশিয়ার ১৪০, শুকনা মরিচ ১৮০, হলুদ ১২০, আটা (প্যাকেট) ৩৮, ময়দা (প্যাকেট) ৪৫, দেশি মসুর ডাল ১২০, ভারতীয় ৮০, খেসারি ৪৫ ও খোলা চিনি ৪৬ টাকা।, প্যাকেট চিনি ৫০ টাকা কেজি এবং প্রতি লিটার সয়াবিন তেল (খোলা) ১১০ ও বোতলজাত ১২২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়াও বেড়েছে ডিম ও সয়াবিন তেলের দাম। গত সপ্তাহে ফার্মের ডিম ২৬-২৮ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। টিসিবির হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশের মতো।বাজার ঘুরে দেখা যায়, শিম ২২, কাঁচা মরিচ ৪০, বেগুন ৪০, টমেটো ২০, শসা ৩০, মুলা ১০, গাজর ২৫ ও করলা ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
শনিবার বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ১২২ থেকে ১২৫ টাকা দরে। আর ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৫৮৫ থেকে ৫৯০ ও খোলা সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজি দরে। খোলা পামওয়েল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৭৮ টাকা দরে। মাংসের দাম অপরিবর্তিত। গরুর মাংস ২৮০ ও খাসির ৪৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।
[b]ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে
সপ্তাহের ব্যবধানে মাছ, মুরগি, সয়াবিন ও ডিমসহ দাম বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক মাস ধরে বেড়েই চলেছে মাছ ও মুরগির দাম।





