অভিবাসন খরচ শূন্যের কোটায় নিয়ে আসার বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নিয়েছে কর্মী প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী দেশগুলো।
১৪ থেকে ১৬ মে সুইডেনের স্টকহোমে ‘গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’র সপ্তম ফোরাম মিটিংয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্টকহোমের মিটিং থেকে ফিরে সোমবার রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ভবণে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানান। খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘অভিবাসন-খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা অভিবাসন খরচ।
একজন শ্রমিক যদি তিন-চার লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যান, তাহলে সেই টাকা তুলতে তাঁকে অতিরিক্ত সময় থাকতে হয়। ফলে তিনি অবৈধ হয়ে পড়েন। এতে আরও নানা সমস্যা তৈরি হয়। কাজেই অভিবাসন খরচ শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে।’
অভিবাসন খরচ শূন্যে নামিয়ে আনতে জিএফএমডি সভায় প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, এটা করা গেলে দালালপ্রথা বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশের এই প্রস্তাবটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন বলে ওই সভায় জানিয়েছেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘শ্রমিক প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী দুই দেশকেই সমস্যাটি বুঝতে হবে। দুই দেশ চাইলেই খরচ শূন্যে নামিয়ে আনা যাবে।’
এবারের সফরের সময় ডেনমার্কেও গেছেন মন্ত্রী। সেখানকার পরিস্থিতি উল্লেখ করে খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, দেশটিতে প্রায় পৌনে তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মরত। তারা আরও লোক নিতে চায়। তবে তাঁদের প্রশিক্ষিত হতে হবে।
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানিকারকদের কর্মী পাঠানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, তারা যদি পারেন, তবে লোক পাঠাক। তবে অবশ্যই সরকারি নিবন্ধন থেকে কর্মী নিতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবেও এখন লোক যাচ্ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার শওকত হোসেন, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক বেগম শামসুন্নাহারসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ২৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
অভিবাসন খরচ শূন্যের কোটায় আনার উদ্যোগ
অভিবাসন খরচ শূন্যের কোটায় নিয়ে আসার বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নিয়েছে কর্মী প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী দেশগুলো। ১৪ থেকে ১৬ মে সুইডেনের স্টকহোমে ‘গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’র সপ্তম ফোরাম মিটিংয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।





