শ্রমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেয়ার পর তারা কোনো ব্যবস্থা না নিলে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে ব্যবস্থা নেবে।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের মিছিলপূর্ব এক সমাবেশে রাজধানীর আরমানিটোলায় অবস্থিত লাভক্র্যাফট গার্মেন্ট মালিকের প্রতি শ্রমিকরা এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
সমাবেশে ওই কারখানা মালিকের সন্ত্রাসী হামলা, শ্রমিকদের হাজিরা কার্ড ছিনিয়ে নেয়া, পাওনাদি পরিশোধ না করে জোরপূর্বক সাক্ষর নেয়া, ইউনিয়ন ধ্বংসের অপচেষ্টা বন্ধ ও অবিলম্বে কারখানা খুলে দেয়ার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, আজ আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কর্মসূচি পালন করছি। আগামীকালও পালন করবো। দয়া করে মালিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্মকর্তারা আমাদের দুর্বল ভাববেন না। আমরা যেমন মেশিন চালাতে জানি, তেমনই মেশিন বন্ধ করতেও জানি।
বক্তারা বলেন, অ্যালাইন্সের পরিদর্শনে কারখানা নিরাপদ না হওয়ায় বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু পরিদর্শন কর্মকর্তাদের নির্দেশ অনুযায়ী কারখানা মালিক সংস্কার এবং শ্রমিকদের কোনো ক্ষতিপূরণ না দিয়েই কারখানা স্থানান্তরের ষড়যন্ত্র করছে।
মঙ্গলবার ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কারখানার মালিক ভাড়াটা মাস্তান দিয়ে ৪০ জন শ্রমিককে আটক করে এবং তাদের কাছ থেকে হাজিরা কার্ড ছিনিয়ে নেয়। পাশাপাশি ‘চাকরিচ্যুত’ করা হলো এই মর্মে জোরপূর্বক সাক্ষর নেয়া হয়। শ্রমিকরা ওই ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাদের আমাদের উপর হামলা চালানো হয়।এ ঘটনায় ৪জন শ্রমিক আহত হয় বলেও দাবি করেন তারা।
এসময় গার্মেন্ট শ্রমিক নেতারা অবিলম্বে কারখানা মালিক এহসান এলাহীসহ তার ভাড়াটে মাস্তানদের গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনা এবং অবিলম্বে কারখানা খুলে দেয়ার দাবি জানান।
সমাবেশ ও মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশে ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কামরুল আহসান, গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা সাফিয়া পারভিন, একতা গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান প্রমুখ।
জেআই





