চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্লাস্টিকসহ সকল রপ্তানি পণ্যের ওপর আগের হারে অর্থাৎ শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ উৎস কর নির্ধারণ করার প্রস্তাব জানিয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএসইএ)।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে বিপিজিএসই এর নিজস্ব কার্যালয়ে ‘২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের ওপর প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা এ প্রস্তাব করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিপিজিএমইএর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্লাস্টিকসহ সকল রপ্তানি পণ্যের মূল্যের ওপর ১ শতাংশ হারে উৎস কর কর্তণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে রপ্তানিকারকরা বিদেশি পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। তাছাড়া আগে আমেরিকার বাজারে এ পণ্যটি জিএসপি সুবিধা পেত; যা এখন নেই।

এ অবস্থায় রপ্তানি মূল্যের ওপর ১ শতাংশ হারে উৎসে কর নির্ধারণ প্লাস্টিক পণ্যের জন্য টেকসই হবে না। তাই এ পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ উৎসে কর নির্ধারন করার প্রস্তাব করছি। এ ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করতে পারলে ২০২১ সালের মধ্যে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জন কঠিন হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রপ্তানি পণ্যের ওপর আগের হারে অর্থাৎ শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ উৎসে কর নির্ধারণ করলেও তাদের ওপর কোন প্রভাব পড়বে না।’ তাই সরকারের প্রতি আগের কর নির্ধারণ করার প্রস্তাব জানান তিনি।

শুরুতে প্রস্তাবিত বাজেটের বিভিন্ন ইতিবাচক দিকগুলোকে স্বাগত জানিয়ে বিপিজিএমইএর সভাপতি বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দেশের আর্থিক খাতের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে- যা বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতি আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে রি-সাইক্লিং এর মাধ্যমে প্লাস্টিক দানা উৎপাদনের  ক্ষেত্রে ভ্যাট অব্যাহতি প্রদান করেছে- যা পরিবেশ উন্নয়নে সফলতা বয়ে আনবে। সরকারের এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিপিজিএমইএ-র  সাবেক সভাপতি জনাব মো. ইউসুফ আশরাফ, ফেরদৌস ওয়াহেদ, শামিম আহমেদ, সিনিয়র সহসভাপতি গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, সহসভাপতি  কে এম ইকবাল হোসেন ও সহসভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া।

এমকে/ এআর