অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে স্বাধীনতা পরবর্তী বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার জন্য বিদেশি দাতা সংস্থারা বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে অনেক স্বাবলম্বী হয়েছে। এ কারণে দাতা সংস্থাগুলো তাদের সাহায্যের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে।।
রোববার রাজধানীর এন ই সি মিলনায়নে বাংলাদেশ এইড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (বাংলাদেশ এইমস) ওয়েবসাইট চালু করার জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহিত বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরই মূলত বৈদেশিক সাহায্যের ধারণাটি আসে। এরপর বিভিন্ন দাতা সংস্থা যুদ্ধ বিধ্বস্ত বা অনুন্নত দেশগুলোতে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। বাংলাদেশেও যুদ্ধপরবর্তী বিভিন্ন দেশ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। কয়েক বছর আগেও বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থা আমাদের দেশে প্রচুর সাহায্য করত। কিন্তু বর্তমানে দেশ অনেক স্বাবলম্বী হয়েছে। এ কারণে বিদেশিরাও তাদের সাহায্যের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশ এইমস ওয়েবসাইটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সফটওয়্যার চালুর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বা প্রতিষ্ঠান কি পরিমাণ সাহায্য করেছে তা সহজে আমরা জানতে পারবো। এর ফলে দুর্নীতি অনেক কমে আসবে এবং কাজের স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। সভাপতিত্ব করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. মেজবাহউদ্দিন।
মেজবাহউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ এইমস হলো এমন একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে বিদেশ থেকে আসা উন্নয়ন সাহায্য সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য ও উপাত্ত অনলাইনে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রয়োজনমত ব্যবহার করা যাবে। বাংলাদেশ সরকার ও দাতা সংস্থাসমূহ উভয়ই এই সিস্টেমের মাধ্যমে লাভবান হবে বলে তিনি জানান।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার স্বার্থে ইন্টারন্যাশনাল এইড ট্রান্সপারেন্সি ইনিশিয়েটিভ এর কোডিং অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশ এইমস। এইমসে তথ্য সরবরাহের জন্য বাংলাদেশে কর্মরত যেকোনো দ্বিপাক্ষিক বা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ পর্যন্ত ১৭টি দাতা সংস্থা এইমসে রেজিস্ট্রেশন করেছে। তাছাড়া ইতোমধ্যে অনেক সংস্থা এইমসে তথ্য সরবরাহের কাজ শুরু করেছে।
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর





