[b]ঢাকা: [/b]ব্যাংকের একক গ্রাহক ঋণসীমা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে ব্যাংকগুলো মোট দায়ের ১০ শতাংশের বেশি ঋণদানে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নয়া প্রজ্ঞাপন বলে ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড মূলধনের সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত একক ব্যক্তি বা গ্রুপকে ঋণ দিতে পারবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ঋণ নির্ধারিত সীমার মধ্যে নামিয়ে আনারও তাগিদ দেওয়া হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
তবে মূল অর্থের ফান্ডেড দায় কোনো অবস্থায় মূলধনের ১৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না বলে উল্লেখ করলেও রফতানি খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে শিথিল করে তা ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশোধিত ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর আলোকে ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে একক গ্রাহক ঋণসীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা গ্রুপকে মূলধনের ১০ শতাংশের সমান বা তার বেশি অর্থায়ন করা হলে তাকে বৃহৎ ঋণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
ব্যাংকের নিট শ্রেণীকৃত ঋণের হারের ওপর ভিত্তি করে বৃহৎ ঋণ অনুমোদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মোট ঋণের শ্রেণীকৃত পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত ৫৬ শতাংশ, ৫-১০ শতাংশ পর্যন্ত ৫২ শতাংশ, ১০-১৫ শতাংশ পর্যন্ত ৪৮ শতাংশ, ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত ৪৪ শতাংশ এবং ২০ শতাংশের বেশি হলে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃহৎ ঋণের অনুমোদন দেওয়া যাবে।
বৃহৎ ঋণ হিসেবে ফান্ডেড দায়ের শতভাগ এবং নন-ফান্ডেড দায়ের ৫০ শতাংশ অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে কোনো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, যার ৫০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানকে একক এন্টারপ্রাইজ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। একইভাবে সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান, সরকারের গ্যারান্টিপ্রাপ্ত ও বহুজাতিক উন্নয়ন ব্যাংকগুলোর গ্যারান্টিপ্রাপ্ত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধা প্রদানে বৃহৎ ঋণের প্রদত্ত হিসাব বিবেচিত হবে না।
এদিকে ওই প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নীতিমালাসহ অন্যান্য নীতি সম্পর্কিত বিষয়গুলোর পরিপালনে তফসিলী সব ব্যাংককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া এখনো কোনো কোনো ব্যাংকের একক গ্রাহক ঋণসীমার বাইরে রয়েছে, তা এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয়। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে ঋণ নামিয়ে আনার পর্যাপ্ত প্রক্রিয়া ও ঋণে নজরদারি প্রতিষ্ঠা করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিতভাবে বৃহৎ ঋণের তথ্য নির্দিষ্ট ফরম্যাটে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
একক গ্রাহক ঋণসীমা বাড়ল
ঢাকা: ব্যাংকের একক গ্রাহক ঋণসীমা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে ব্যাংকগুলো মোট দায়ের ১০ শতাংশের বেশি ঋণদানে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নয়া প্রজ্ঞাপন বলে ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড মূলধনের সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত একক ব্যক্তি বা গ্রুপকে ঋণ দিতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ, ব্যাংকিং লেনদেনে কি প্রভাব পড়বে?
সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তবে ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলেও দেশের ব্যাংকিং লেনদেন ও কোর ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জরুরি নিরাপত্তা ইস্যুতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
জরুরি নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
আগামীকাল থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে থাকছে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। ছুটির আগে সোমবার শেষ কার্যদিবস আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর)। এরপরে টানা পাঁচদিন ছুটি।
আজ খোলা থাকবে সব ব্যাংক
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে এর আগে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এছাড়া শেয়ারবাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা থাকবে।
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকছে। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন দুর্গাপূজার ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
















