[b]ঢাকা: [/b]কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ আবার এক হাজার ৮০০ কোটি (১৮ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়েছে। গত মাসের ১৯ তারিখ প্রথমবারের মত এ পরিমাণ রিজার্ভ জমা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে। তবে পরে সার্কভুক্ত দেশগুলো থেকে আমদানি বাবদ এশিয় ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধ করায় রিজার্ভের পরিমাণ কমে যায়। প্রতি দুই মাস অন্তর আকু পেমেন্ট দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের রফতানি আয় বাড়লেও আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় রিজার্ভ বেড়েছে। রিজার্ভের এ অর্থ দিয়ে দেশের জন্য ছয় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সার্কভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে রিজার্ভের মজুদের দিক থেকে ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী গতকাল সাংবাদিকদের জানান, সোমবার দিন শেষে রিজার্ভ এক হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির বিবেচনায় বর্তমান মজুদ স্বস্তিদায়ক হলেও এ মজুদ আরো বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বেশি থাকলে দেশের উন্নততর সার্বভৌম রেটিং প্রাপ্তিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
একইসঙ্গে সরকারী বা বেসরকারী পর্যায়ে তুলনামূলক কম সুদে ঋণ গ্রহণ সম্ভব হয়। তাছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ আকর্ষণেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের রিজার্ভ ২০০৯ সালের ১০ নভেম্বর ১০ বিলিয়ন, চলতি বছরের মে মাসে ১৫ বিলিয়ন এবং অক্টোবরে ১৭ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছিল।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]