প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার আসন্ন বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত অগ্রাধিকার পেলেও সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ পরিবহন খাতে থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এরপরই জ্বালানী ও শিক্ষা খাতে বেশি বরাদ্দ থাকবে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল রেডিসনে নির্মাণ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের সাথে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়ক দিয়ে পাথর পরিবহন করা হয়। তাই সড়কটিকে মজবুত করে নির্মাণ করতে হবে। সড়কটির উন্নয়নকাজ চুক্তি অনুযায়ী ৩৪ মাসের মধ্যে শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থে এ সড়কের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করা হবে। মন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার বিষয়ে খোঁজখবর রাখার পরামর্শ দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, যে কোনো সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর থেকে পরবর্তী তিন বছর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের ওপর। এ বিষয়টি সরকার নিশ্চিত করতে চায়।
সম্পূর্ণ সরকারের অর্থায়নে প্রায় ৪ শত ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩২ কিমি. দীর্ঘ সিলেট বিমানবন্দর-সালুটিকর-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ সড়ক জাতীয় মহাসড়কমানে উন্নীত করার জন্য চুক্তি সাক্ষর করা হয়।
চুক্তিপত্রে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক ইফতেখার কবির এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খান মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন নিজনিজ পক্ষে সই করেন।
সড়ক উন্নয়নে সই হওয়া দু'টি প্যাকেজ এর চুক্তিমূল্য ৪১৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর আওতায় প্রায় ৩০ কিমি. সড়ক বাঁধ, ১৩ কিমি. সড়ক রিজিড পেভমেন্ট, ১৭ কিমি. ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট, ১টি সেতু ও ২টি কালভার্ট, প্রায় ৩০ কিমি. ফুটপাতসহ ড্রেন নির্মাণ এবং অন্যান্য কার্যাদি সম্পন্ন করা হবে। চুক্তি অনুযায়ী ৩৪ মাসের মধ্যে সড়ক উন্নয়নের কাজ শেষ করবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, এমরান আহম্মেদ এমপি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এমএএন ছিদ্দিক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. একেএ মোমেন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে হাসান আলম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
ইআর





