ঈদুল আযহা সামনে রেখে গাবতলী গবাদি পশুর হাটে ২০টি উট ও ৫টি দুম্বা উঠেছে। একেকটি উটের দাম হাঁকা হচ্ছে ৭ লাখ টাকা। উটের মালিকের দাবি ৭ লাখ টাকা দামের উটে ১০ মণ থেকে ১৩ মণ মাংস পাওয়া যাবে।

অপরদিকে দুম্বার দাম হাঁকা হচ্ছে তিন লাখ। দুম্বার মালিকের দাবি দুম্বা থেকে ১ মণ ১০ কেজি মাংস পাওয়া যাবে।

গাবতলীতে উট ও দুম্বা এসেছে ভারতের রাজস্থান থেকে। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইড় থানার রেজাউল ব্যাপারী গাবতলীতে একাই ১৪টি উট নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে ১টি পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। রেজাউল ১৪টি উট ৯ মাস আগে ভারতের রাজস্থান থেকে এনেছেন। বাংলাদেশে আনার পর ফরিদপুরের নগরকান্দায় বড় ভাইয়ের খামারে উটগুলো লালন পালন করেন তিনি।

উটের ব্যাপারী রেজাউল জানান, ৯ মাস আগে উটগুলো ভারতের রাজস্থান থেকে কেনা হয়েছে। ভারতের ব্যাপারী এলসি করার পরে আমরা
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী সীমান্ত থেকে কিনে এনেছি।’

তিনি জানান, ১৪টি উটের মধ্যে ৫ লাখ টাকায় একটি উট বিক্রি করা হয়েছে। ১৩ মণ মাংস পাওয়া যাবে এমন উটের দাম ধরা হচ্ছে ৭ লাখ টাকা। তবে দাম চাইলেই তো আর পাওয়া যাবে না।’

অপরদিকে গাবতলী পশুরহাটে মানকিগঞ্জের কলতা পাড়ার আক্কাস ব্যাপারী পাঁচটি দুম্বা নিয়ে এসেছেন। এই দুম্বাগুলোও ভারতের রাজস্থান থেকে এসেছে। দুম্বার খাবার বলতে গমের ভূষি, বুট ও কাঁঠাল পাতা।

দুম্বার মালিক আক্কাস জানান, ভারতে আমাদের লোকের মাধ্যমে দুম্বাগুলো সীমান্ত পার করেছি। সীমান্ত খরচা বাড়ায় দুম্বার দাম বাড়তি। দুম্বার দাম চাওয়া হচ্ছে তিন লাখ টাকা। প্রতিটি দুম্বা থেকে ১ মণ ১০ কেজি মাংস পাওয়া যাবে।’

সোমবার গাবতলী গবাদি পশুরহাটে পশুর সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, পাশাপাশি বেড়েছে ক্রেতা সমাগমও। তবে কেনার চেয়ে হাট ঘুরে কোরবানির পশু দেখতেই বেশি আগ্রহী মনে হলো ক্রেতাদের।

ব্যাপারীরা জানান, ঢাকায় গরু রাখার জায়গা নেই। সাধারণত ঈদের ২ থেকে ৩ দিন আগে গরু বেচাকেনা শুরু হবে।

জেআই,