অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত ৯৬৩ কেজি সোনার মধ্যে মাত্র ৩ কেজি দূষিত হয়েছে। এটা কোনো সমস্যাই নয়। এটা নিয়ে ইউজলেস (অপ্রয়োজনীয়) আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়ে এনবিআরের কথা বলার প্রয়োজন ছিল না।”
আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এইসব কথা বলেন।
গত ১৭ জুলাই দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে “বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড” এই শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক অনুসন্ধানের তথ্যের ভিত্তিতে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের ৯৬৩ কেজি সোনা পরীক্ষা করে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অনিয়ম ধরা পড়েছে।
“কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের সোনার চাকতি ও আংটির জায়গায় এখন আছে মিশ্র বা সংকর ধাতু। ২২ ক্যারেট সোনা, হয়ে আছে ১৮ ক্যারেট।”
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে শুল্ক গোয়েন্দা।
পরে ওইদিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন যথাযথ নয় বলে দাবি করা হয়।
গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা স্বর্ণের ‘হেরফের’নিয়ে যে প্রতিবেদন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে, তা পুরোপুরি সত্য নয় বলে দাবি করেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি আরও দাবি করেন, সেখানে রাখা স্বর্ণ পুরোপুরি নিরাপদে আছে। বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট থেকে স্বর্ণ চুরির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহিদুল ইসলাম বলেন, ১ বছরের বেশি সময় অনুসন্ধান করে তারা ওই অনিয়ম পেয়েছেন।
“বাংলাদেশ ব্যাংক যেহেতু একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, তারা বিষয়টি অনুসন্ধান করে জড়িতদের খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করবেন বলে আশা করছি।”
এমবি





