আজ সোমবার (৪ জুলাই) টানা ৪ দিন বন্ধ থাকার পর শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হতেই মূল্যসূচকের বড় উত্থান হয়েছে। সেই সাথে লেনদেনের গতিও বেশ ভালো দেখা যাচ্ছে।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শুরু হয় প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে।
আজ সকাল থেকে সময়ের সঙ্গে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বাড়ছে। লেনদেন শুরু হতেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৫০ পয়েন্ট বেড়ে যায়।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের তুলনায় ৬৮ পয়েন্টে বেড়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ ১০ পয়েন্ট বেড়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১০ পয়েন্ট।
এ সময় পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২৭৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩০টির। আর ৩৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৩৯ কোটি ৮ লাখ টাকা।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০৮ পয়েন্ট বেড়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ৯৪ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩টির।
এদিকে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় সরকার বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
বিধিনিষেধের কারণে ব্যাংকের লেনদেনের সময় কমিয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই সঙ্গে শুক্র ও শনির পাশাপাশি রোববারও ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
ব্যাংকের লেনদেনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সপ্তাহের চারদিন (সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার) শেয়ারবাজারের কার্যদিবস নির্ধারণ করা হয়েছে। আর লেনদেনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও কোন বিনিয়োগকারী সশরীরে কোন প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারবেন না বলে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধুমাত্র ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেন হবে।
এইচএন





