[b]ঢাকা:[/b] বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নির্ধারণ করা চড়া সুদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এসব ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে উচ্চ সুদ হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।
এ অবস্থায় অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষরা বলছেন, বিদায়ী বছরের পুরোটা সময়ই রাজনৈতিক অস্থিরতা আর বিনিয়োগবিহীন পরিস্থিতির কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। অর্থের চাহিদা মেটাতে ব্যাংকের দারস্থ না হয়ে তাদের কোনো উপায় নেই।
এদিকে ব্যাংকাররা বলছেন, বাজারে জোগান ও চাহিদার ওপরই সুদের হার নির্ভর করে। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে সুদের হার নির্ধারণ করে দেওয়ার সুযোগ নেই। সে ক্ষেত্রে ঋণের বিপরীতে নির্ধারিত সুদ হার যৌক্তিক পর্যায়ে রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় খাতের বাণিজ্যিক অধিকাংশ ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঋণ বিতরণ করেনি। একমাত্র জনতা আর অগ্রণী ব্যাংক ছাড়া। আলোচ্য সময়ে রাষ্ট্রীয় খাতের এ দুটি ব্যাংক, যে পরিমাণ ঋণ দিয়েছে তার বিপরীতে সুদ নির্ধারণ করেছে সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।
বিষেশায়িত খাতের ব্যাংকগুলো ব্যাংক বহির্ভূত এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণের বিরপরীতে সুদ হার নির্ধারণ করেছে ১৭ শতাংশ।
এদিকে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো বিদায়ী বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যবসা খাতে দেওয়া ঋণের বিপরীতে ১৯ শতাংশ সুদ, বড় ও মাঝারি শিল্প খাতে ১৭ শতাংশ সুদ নিলেও এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়েছে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ।
অন্যদিকে বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলো এ সময়ে অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঋণ বিতরণের বিপরীতে সুদ নির্ধারণ করেছে সর্বোচ্চ ১৮ শতাংশ।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
অর্থনীতি
চড়া সুদে বিপর্যস্ত ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান
ঢাকা: বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নির্ধারণ করা চড়া সুদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এসব ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া ঋণের বিপরীতে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত সুদ নিচ্ছে।





