আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের উদ্দেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ‘আপনারা ডকুমেন্টেশন ফি দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১.০০ শতাংশে উন্নীত করতে চেয়েছেন। কিন্ত ডকুমেন্টেশন ফি দ্বিগুণ করলে গ্রাহকদের ঋণভার বাড়াবে, যা প্রকারান্তরে ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।
মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সভায় গভর্নর এসব কথা বলেন।
আতিউর বলেন, ‘বিদ্যমান নীতিমালায় গ্রাহকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক ফিডব্যাক গ্রহণ করার যে নির্দেশনা রয়েছে তা আপনারা প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে এ ধরনের ফিডব্যাক গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বছরে অন্তত একবার গ্রাহকের ফিডব্যাক গ্রহণ করলে তাদের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে আমি মনে করি।’
গভর্নর বলেন, ‘আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন শাখা স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিচালকদের সিআইবি গ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে, শাখার প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনের ক্ষেত্রে ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগের পাশাপাশি ক্ষেত্রভেদে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগও পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘লিজ ফাইন্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়ে উচ্চব্যয় পরিহার সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধনের বিষয়টি আপাতত বিবেচনার অবকাশ নেই।’
এছাড়া শরিয়াহভিত্তিক এসএমই পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালুর বিষয়টি এসএমই বিভাগ পর্যালোচনা করছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, সভায় ডকুমেন্টেশন ফি পুনর্বিবেচনা, ঋণ বিতরণ পরবর্তী সময়ে গ্রাহকদের ফিডব্যাক সংগ্রহ, শাখা স্থাপনের নীতিমালা শিথিলকরণ, লিজ ফাইন্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয় সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন, শরিয়াহভিত্তিক এসএমই পুনঃঅর্থায়ন স্কীম সুবিধা চালু ইত্যাদি বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা চলছে।
ঢাকা, ১২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এমআর





