বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ফরমে কোনো প্রকার ঘোষণা ছাড়াই দেশে আগমন এবং বহির্গমনে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা আনা-নেওয়া করা যাবে। এর আগে মাথাপিছু সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বাংলাদেশি কারেন্সি নোট আমদানি ও রফতানি করা যেতো।
বৃহস্পতিবার বাংলাদশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠিয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭ এর ৮(১)-এর এখতিয়ারবলে বিদেশ হতে বাংলাদেশে আগমনকালে শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ফরমে ঘোষণা প্রদান না করে সঙ্গে আনয়নযোগ্য বাংলাদেশি কারেন্সির পরিমাণ এবং বহির্গমনকালে বাংলাদেশি কারেন্সি সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার পরিমাণ মাথাপিছু ২০০০ টাকা হতে ৫০০০ টাকায় উন্নীত করা হলো।
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৯ সালের ৪ আগস্টের প্রজ্ঞাপনে ১ অনুচ্ছেদের (খ) ও (২) উপ-অনুচ্ছেদদ্বয়ে ‘দুই হাজার টাকার অধিক পরিমাণের বাংলাদেশি কারেন্সি নোট’র স্থলে ‘পাঁচ হাজার টাকার অধিক পরিমাণের বাংলাদেশি কারেন্সি’ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে ‘অনধিক দুই হাজার টাকা মূল্যের বাংলাদেশি কারেন্সি নোট’-এর স্থলে ‘অনধিক পাঁচ হাজার টাকা মূল্যের বাংলাদেশি কারেন্সি নোট’ পাঠ করতে হবে।
[b]ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমআর/এফএ[/b]
অর্থনীতি
ঘোষণা ছাড়াই বিদেশ যাতায়াতে মুদ্রা বহনের পরিমাণ বাড়ল
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ফরমে কোনো প্রকার ঘোষণা ছাড়াই দেশে আগমন এবং বহির্গমনে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা আনা-নেওয়া করা যাবে। এর আগে মাথাপিছু সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বাংলাদেশি কারেন্সি নোট আমদানি ও রফতানি করা যেতো





