সাবেক অর্থসচিব এম মনিরুজ্জামান বলেছেন, রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াটা এক সময় দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। রিজার্ভ বিনিয়োগ করে কর্মসংস্থান না বাড়ালে একসময় তা বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বাংলাদেশ যুব অর্থনীতিবিদ ফোরামের উদ্যোগে ‘রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ: অর্থনীতিতে প্রভাব’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট সাদেক খান, কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, বাংলাদেশ প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি ওয়ালিউর রহমান, অর্থনীতিবিদ শহিদুর রহমান প্রমুখ।
মনিরুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, রিজার্ভ বেড়েছে। কিন্ত কিভাবে বেড়েছে তা কেউ স্পষ্ট করছে না। এ সময় বাড়তি রিজার্ভের টাকা আমদানি ও বিনিয়োগ এ দুটো কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন সাবেক এ অর্থসচিব। তিনি বলেন, অন্যথায় এ রিজার্ভ এক সময় দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের হুমকি বয়ে আনতে পারে।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে জিডিপি’র ১৬ শতাংশ বিনিয়োগ হয়ে থাকে।কিন্ত এ পরিমাণ বিনিয়োগে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা কখনই সম্ভব নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে অবান্তর চিন্তা-ভাবনা।
২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে আমাদেরকে প্রতিবছর ৮ থেকে ৯ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। এজন্য বিনিয়োগ হতে হবে জিডিপি’র কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩২ শতাংশ।
এদিকে ড. ইউনূস প্রসঙ্গে মনিরুজ্জামান বলেন, অর্থনীতি এবং রিজার্ভ সম্পর্কে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কি বুঝাতে চেয়েছেন-তা বাংলাদেশ না বুঝলেও উন্নত দেশগুলো ঠিকই বুঝতে পেরেছে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন যুব অর্থনীতিবিদ ফোরামের প্রেসিডেন্ট মির্জা ওয়ালিদ হোসেন।
[b]ঢাকা, ১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
‘বাড়তি রিজার্ভ বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে’
সাবেক অর্থসচিব এম মনিরুজ্জামান বলেছেন, রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াটা এক সময় দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। রিজার্ভ বিনিয়োগ করে কর্মসংস্থান না বাড়ালে একসময় তা বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।





