রিজার্ভ চুরির ঘটনার পর বাংলাদেশ ব্যাংকে মহাব্যবস্থাপক পদমর্যাদায় বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে।
রবিবার এ সংক্রান্ত এক অফিস আদেশ জারি করা হয়। অফিস আদেশে ছয় মহাব্যবস্থাপকে (জিএম) বদলি করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজম্যান্ট ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) কাজী ছাইদুর রহমানকে রংপুর অফিসে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন এইচআরডি-২ এর জিএম আজিজুর রহমান। আর কাজী এনায়েত হোসেনকে এইচআরডির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ফিনান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট অ্যান্ড স্ট্রাটিজিক ডিপার্টমেন্টের (এফএফএসপিডি) জিএম জোয়ার্দার ইসরাইল হোসেনকে গভর্নর সচিবালয়ে বদলি করা হয়েছে। গভর্নর সচিবালয়ে এতদিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন এসএম রবিউল হাসান।
বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেইনিং একাডেমি (বিবিটিএ) এর জিএম জামাল মোল্লাকে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেডে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়া কাজী এনায়েত হোসেনকে এইচআরডির জিএম হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা বলেন, ‘ব্যাংকের কার্যক্রমে গতি আনতে কিছু রদবদল করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ রবিবার এক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।’
গত ৫ ফেব্রুয়ারি ফেডারেল রিজার্ভে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮০০ কোটি টাকা লোপাট হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট। প্রায় ২২ বছর যাবত এ বিভাগে কাজ করে আসছেন কাজী সাইদুর রহমান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধান অনুযায়ী কোনো বিভাগে টানা তিন বছরের অধিক কেউ একই ডিপার্টমেন্টে কাজ করতে পারবে না। অথচ কাজী সাইদুর রহমান ২২ বছর ধরে একই বিভাগে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সময়ের প্রভাবশালী এই জিএমকে রংপুর অফিসে বদলি করা হয়েছে।
গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনই সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফজলে কবির বাংলাদেশ ব্যাংকে রদবদলের ইঙ্গিত দেন।
ইআর





