চট্টগ্রামবন্দর ও কাস্টম হাউসে দৈনিক নূন্যতম ৬৪ লাখ ৭ হাজার টাকা নিয়ম-বহির্ভুতঅর্থ আদায় করা হয় জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
একই সঙ্গে বদি আলম ফালতু নামে এক সিন্ডিকেটের কাছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়া জিম্মি বলেও জানানো হয়েছে।
রাজধানীরব্রাক সেন্টার ইন মিলনায়তনে সোমবার দুপুরে টিআইবি আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টম হাউসে আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়ায় অটোমেশন: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
এই গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন টিআইবি কর্মকর্তা মনজুর-ই খোদা ও জুলিয়েট রোজেটি। গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম হাফিজ উদ্দিন খান, উপ নির্বাহী সুমাইয়া খায়ের প্রমুখ।
গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কাস্টম হাউজের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সহায়তাকারী হিসেবে অবৈধভাবে নিজস্ব নিয়োগে ৬০-৭০ জন ‘বদি আলম’ বা ‘ফালতু’ কর্মরত। এরা শুল্কায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়ম ভেঙে লেনদেন সমঝোতা করে।
কর্মকর্তারা নিয়মিত কার্যক্রমে ‘ফালতু’দের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ফালতুদের জানা থাকায় তা অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ঢাকা, ১৪ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর





