এশিয়ার সবথেকে কম মজুরি পান বাংলাদেশের শ্রমিকরা। পাশাপশি উৎপাদনশীলতা অন্য দেশের কর্মীদের তুলনায় কম বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রসান্ত মহাসাগর অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশনের তথ্য বলছে, এশিয়া অঞ্চলে সবথেকে বেশি মজুরি পান জাপানের শ্রমিকরা। তার পরেই আছে দক্ষিণ কোরিয়া। বরাবর হিসেবে এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মজুরির পরিমাণ সব থকে কম।
১৯৮৫ সালে পোশাক শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ছিল ৫৪২ টাকা। ১৯৯৩ সালে তা বেড়ে দাড়ায় ৯৩০ টাকায়। এর প্রায় এক যুগ পর ২০০৬ সালে সর্বনিম্ন মুজুরি নির্ধারণ হয় ১৬৬২ টাকা। ২০১০ সালে তা করা হয় ৩০০০ টাকা। সর্বশেষ ২০১৩ সাল মজুরি বেড়ে দাড়ায় ৫৩০০ টাকা।
মজুরিকাঠামো অনেকটা নির্ভর করে উৎপাদনশীলতার উপর। জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশনের তথ্যমতে, উৎপাদনের ক্ষেত্রেও পেছনের সারির দেশ বাংলাদেশ। তবে এর জন্যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা দায়ী বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিআইডিএস এর সিনিয়র রিচার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, শুরুতে দক্ষতা নিয়ে শ্রমবাজারে প্রবেশ করার জন্যে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা দরকার। সরকারকে এমন শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করতে হবে, যাতে কেউ যদি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেও শ্রমবাজারে প্রবেশ করে, তার কিছু না কিছু পরিবর্তন থাকবে। যেসব ছেলে মেয়ে এ উপখাতে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক তাদেরকে প্রাইমারি শিক্ষার পরেই এ ধরনের কোন একটা বিষয় পছন্দ করার প্রচলণ থাকতে হবে।
সব দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশের মজুরিকে বাস্তবসম্মত বলে দাবি করছেন উদ্যোক্তারা।
সর্বনিম্ন মজুরি কাঠামো দিয়ে কাজ শুরু করলেও মালিকের লাভ অথবা লোকশান যাই হোক, আইন অনুযায়ি প্রতি বছর অন্তত পাঁচ শতাংশ হারে শ্রমিকের বেতন বাড়বে । সেই সাথে রফতানির মোট মূল্যের .০৬ শতাংশ অর্থ সকারের শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে জমা দিতে হবে ।
ইমন





