যথাযথ প্রস্তুতি সম্পন্ন আন্তর্জাতিক জলবায়ু করতে ব্যর্থ হলে তহবিল থেকে সহায়তা পাওয়া কঠিন হবে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা।ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এনসিসি’বি আয়োজিত “জলবায়ু অর্থায়ন এবং জাতীয় প্রস্তুতি” শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এনসিসি’বির সমন্বয়ক মিজানুর রহমান বিজয়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আহসান উদ্দিন আহমেদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, পিকেএসএফ’র কম্যুনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রকল্পের সমন্বয়কারী ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ এবং ইউএনডিপি’র পরামর্শক মামুনুর রশীদ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞ শামছুদ্দোহা।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. আহসান উদ্দিন আহমেদ বলেন,’ গ্রিন ক্লাইমেট চেঞ্জ ফান্ডে মাত্র ১০ শতাংশ অর্থ স্বল্পোন্নত দেশগুলির জন্য, ২০ শতাংশ অর্থ বেসরকারি খাতের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আর বাকী ৭০ শতাংশ অর্থই প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে দেওয়া হবে। কাজেই এই তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে অর্থ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মান নিশ্চিত করার কোন বিক্ল্প নেই।’
কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন,’ নির্মোহ ভাবে জাতীয় স্বার্থের কথা সর্বাগ্রে বিবেচনায় রেখে এই সবুজ জলবায়ু তহবিলের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে। আর অবিলম্বে তা শুরু না করলে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।’
সেমিনারে জাতিসঙ্ঘের গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড এর শর্তাবলী পালনের সক্ষমতা অর্জনে দ্রুত প্রস্তুতি গ্রহনের আহ্বান জানানো হয়। সভায় বক্তারা অবিলম্বে উপযুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় দায়িত্ব প্রাপ্ত সংস্থা ও জাতীয় বাস্তবায়নকারী সংস্থা মনোনীত করে বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল গ্রহনের উপযুক্ততা গ্রহন করার দাবী জানান। এ বিষয়ে অবিলম্বে সরকার, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে এবং যথাযথ সক্ষমতা বিবেচনা করে জলবায়ু তহবিল ব্যবস্থাপনায় একটি একক জাতীয় কর্তৃপক্ষ গঠনের দাবী করা হয়েছে।

ঢাকা, ২১ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর