তুরষ্ক-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (টিবিসিসিআই)-এর সভাপতি ফ্রিকরেট চিচেক বলেছেন, তুরষ্কের সরকার বাংলাদেশের সাথে এফটিএ চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি জানান, এর মাধ্যমে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীবৃন্দ ইউরোপের বাজারে তুরষ্কের জন্য বিদ্যমান জিএসপি সুবিধা ভোগ করে নিজেদের পণ্য রফতানি করতে পারবে।
রোববার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খানের সাথে সাক্ষাতকালে এ সব কথা বলেন ফ্রিকরেট চিচেক।
এ সময় বাংলাদেশস্থ তুরষ্ক দূতাবাসের বিজনেস কাউন্সিলর টুলে ইয়ানিক এবং তুরষ্ক-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর সেক্রেটারি জেনারেল মুরাট কারাকা উপস্থিত ছিলেন।
টিবিসিসিআই সভাপতি ফ্রিকরেট চিচেক দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়নে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আগামী ১৬-২২ জুন, ২০১৪ তারিখে তুরষ্কে Turkey World Trade Bridge শীর্ষক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হবে। ওই মেলায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহনের আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় ডিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান খান বলেন, বাংলাদেশ ও তুরষ্কের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায়ে রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বায়ু বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, পর্যটন, যোগাযোগ, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য এবং ঔষধ ইত্যাদি খাতে তুরষ্কের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহবান জানান তিনি। ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য ট্যাক্স হলিডে, টেকনিক্যাল নো-হাউ, যন্ত্রপাতি আমদানির উপর শুল্ক মওকুফ সহ নানাবিধ সুবিধা প্রদান করছে।
এ সব সুবিধা গ্রহণ করে তুরষ্কের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানান। তিনি দ’ুদেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কিত সকল বিরোধ দ্রুত নিরসনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন|
তিনি জানান, বাণিজ্য সম্প্রসারণে ঢাকা চেম্বারের “ডিসিসিআই হেল্প ডেস্ক” খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বাংলাদেশী ব্যবসায়ীবৃন্দ নিজেদের কাঙ্খিত উদ্যোক্তা খুঁজে পাবে।
[b]ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
বাংলাদেশের সাথে এফটিএ চুক্তিকে আগ্রহী তুরস্ক
তুরষ্ক-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (টিবিসিসিআই)-এর সভাপতি ফ্রিকরেট চিচেক বলেছেন, তুরষ্কের সরকার বাংলাদেশের সাথে এফটিএ চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি জানান, এর মাধ্যমে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীবৃন্দ ইউরোপের বাজারে তুরষ্কের জন্য বিদ্যমান জিএসপি সুবিধা ভোগ করে নিজেদের পণ্য রফতানি করতে পারবে।





