ঈদ ও পূজা ইস্যুতে ঊর্ধ্বমুখী পেঁয়াজ ও মসলার দাম। গত সপ্তাহের মতো চলতি সপ্তাহের এ দুটি পণ্যের দাম বাড়তি। যদিও ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি মূল্য কমেছে। কিন্তু এর কোনো প্রভাব রাজধানীর খুচরা বাজারে পড়েনি। অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, ডাল, মাছ, মাংস ও সবজির দাম। তবে যে কোনো সময় আবারও বাড়তে পারে ভোজ্য তেলের দাম। বেড়েছে ডিমের দাম।
শুক্রবার রাজধানীর শান্তিনগর ও ফকিরাপুল বাজার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত জুন মাসে ভারত পেঁয়াজের টন প্রতি সর্বনিম্ন রফতানি মূল্য ১৫০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৩০০ মার্কিন ডলার করে। এরপর গত জুলাই মাসে রফতানি মূল্য বাড়িয়ে আবার ৫০০ ডলার নির্ধারণ করে দেশটি। দুই দফা দর বাড়ানোর ফলে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়।
গত ২১ আগস্ট ভারত রফতানি মূল্য কমিয়ে প্রতি টন পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে ৩৫০ মার্কিন ডলারে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ভারত থেকে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য দাঁড়ায় ২৪-২৬ টাকা।
হিলি বন্দর দিয়ে প্রচুর পেঁয়াজ বাংলাদেশ আসতে শুরু করেছে। অথচ রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে এ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকায়।
খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, চায়না রসুন (একদানা) ৮০, রসুন (আমদানি) ৯৫, দেশি আদা (প্রকার ভেদে) ১৬০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া খুচরা বাজারে জিরা কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৫০০, কেজিপ্রতি এলাচি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৭০০, দারুচিনি ৩৬০, কালো গোলমরিচ (১০০ গ্রাম) ১২০, প্রতি কেজি জয়ত্রীর দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০, পাকিস্তানি কিসমিস ৪০০ থেকে ৪২০, গোল্ডেন কিসমিস ৫৫০ থেকে ৬০০, ধনিয়া ২৩০ থেকে ২৬০, তেজপাতা ২২০ থেকে ২৬০, কাঠবাদাম ৯০০ থেকে ৯৫০, চীনাবাদাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
শুকনা মরিচ ১৮০, হলুদের গুঁড়া ১৭০, মরিচের গুঁড়া ২২০, ধনিয়া ২২০, দেশি মশুর ডাল ১১৫, ভারতীয় মশুর ডাল ৯০, খেসারি ডাল ৬০, মুগ ডাল ১১০, খোলা চিনি ৪৮, প্যাকেট চিনি ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। লিটার প্রতি খোলা সয়াবিন তেল ১০৮, বোতল (৫ লিটার) ৫৬০, পামওয়েল ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৩০০, খাসির মাংস ৪৫০, ব্রয়লার মুরগি ১৪০, দেশি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিহালি মুরগির ডিম (ফার্ম) ৩২ টাকা।
কেজিপ্রতি আলু ২৬, শসা ৪০, পটল ৪৫, কাঁচা মরিচ ১২০, গাজর ৬০, করলা ৪০, ঢেঁড়স ৪০, চিচিঙ্গা ৪০, পেঁপে ১৮, টমেটো ১৩০, বরবতি ৬০, কাঁকরল ৪০, কাঁচা কলা ৩০, ফুল কুপি ৪০, পাতা কুপি ৩০, কচুর মুখি ৫০, কচুর লতি ৪০, সিম ১২০, মূলা ৮০, লেবু (হালি) ২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া বাজারে লাউশাক, মুলা শাক, কলমি শাক, কুমড়া শাক, ডাটা, পাট শাক, পুঁইশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ইলিশ প্রতিকেজি ৮০০, চিংড়ি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, কেজিপ্রতি রুই ৩০০, কাতলা ৪০০, পাবদা ৭০০, রূপচাঁদা ১ হাজার ১০০, তেলাপিয়া ১৮০, কৈ (চাষের) ৩৪০, পাঙ্গাস ১২০, টেংরা ৪৮০, দেশি পুঁটি ৩০০, শোল মাছ ৩৭০, ফলি ৩৫০, কাচকি মাছ ৩০০, বাইলা ৪৫০, শিং (দেশি) ৬০০ টাকা।
মিনিকেট (প্রকার ভেদে) কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪২-৪৮, নাজির শাইল (প্রকার ভেদে) ৪২- ৬০, পারি চাল ৩৯, লতা ৪৪, বিআর ঊনত্রিশ ৪০, আটাশ ৩৯, স্বর্ণা ৩৬, চিনিগুঁড়া চাল ৮০-৮৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারের দামের সঙ্গে টিসিবি নির্ধারিত দামের পার্থক্য বিস্তর।
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





