ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচে যুক্ত সাত ব্যাংকের গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা খরচে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে এটিএম স্থাপনকারী ব্যাংককে প্রতি উত্তোলনের বিপরীতে ২০ টাকা চার্জ দেবে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক। অর্থাৎ কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংককে প্রতি উত্তোলনে ১০ টাকা ভর্তুকি গুনতে হবে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশের (এনপিএসবি) সঙ্গে যুক্ত এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তুললে চার্জ বাবদ বুথ স্থাপনকারী ব্যাংক ২০ টাকা পাবে। তবে এ ২০ টাকার মধ্যে গ্রাহককে দিতে হবে ১০ টাকা, বাকি ১০ টাকা কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দিতে হবে।
তাছাড়া এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে ব্যালান্স জানলে বা মিনি স্টেটমেন্ট নিলে প্রতিবার ৫ টাকা করে চার্জ দিতে হবে, যার পুরোটাই গ্রাহকের কাছ থেকে আদায় করা যাবে।
ইস্যুকারী ব্যাংক চাইলে গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো ধরনের চার্জ আদায় করা থেকে বিরতও থাকতে পারবে।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, বাণিজ্যিক ব্যাংকের এটিএম বুথ স্থাপন, পরিচালনা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বুথগুলোয় সার্বক্ষণিক নগদ অর্থ সংরক্ষণে আর্থিক সংশ্লেষ রয়েছে। অন্য ব্যাংকের গ্রাহকদের এসব সেবা দেয়ার জন্য এটিএম বুথ স্থাপনকারী ব্যাংকগুলোর ব্যয় বেড়ে যাবে।
এ প্রেক্ষাপটে এক ব্যাংকের গ্রাহক কর্তৃক অন্য ব্যাংকের এটিএম বুথ ব্যবহার করে টাকা তোলা এবং অন্যান্য সেবা গ্রহণে ন্যূনতম মাত্রার চার্জ আরোপ আবশ্যক হয়ে পড়েছে। আরোপিত চার্জ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে অধিকসংখ্যক বুথ স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।
বর্তমানে দেশের ৩০টির মতো ব্যাংক কার্ডসেবা দিচ্ছে। কিন্ত ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সাতটি ব্যাংক এতে যুক্ত হতে পেরেছে। ব্যাংকগুলো হলো-ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক, পূবালী, প্রাইম, সাউথইস্ট, ইসলামী ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে এ সুইচের সঙ্গে যুক্ত আছে।
[b]ঢাকা, ১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]