বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার যে সফটওয়্যার আছে তাকে এমন লোক দিয়েই পরীক্ষা করাতে হবে, যাঁকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সব গোয়েন্দা সংস্থা নিরাপদ বলে ছাড় দিয়েছে। কারণ, ভেতরের কোনো সম্পৃক্ততা ছাড়া এ ধরনের হ্যাকিং সহজ নয়।
এমন হতে পারে হ্যাকাররা হয়তো ঢুকতে পারে, হয়তো এভাবে করেও, তবে তা অনেক কষ্টসাধ্য। আর যদি কোনো অভ্যন্তরীণ সহায়তা পায়, তাহলে সেটা অনেক সহজ বলে মতামত দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মাদ ফরাসউদ্দিন।
শুক্রবার সংবাদমাধ্যমে তিনি এ মতামত দিয়েছেন।
ফরাসউদ্দিন বলেন, আমার প্রার্থনা যাতে এ ব্যাপারে কম কথা বলা হয়, কাজ যেন বেশি করা হয়। যদি বাংলাদেশ ব্যাংককে একতরফা দোষারোপ করে যাই, তাহলে তো ঠিক হবে না। আবার যদি বলি বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনোই দোষ নেই, তাহলে যদি কেউ দোষ করে থাকে তাদের আড়াল করছি। সুতরাং তদন্তের সময় দিতে হবে। তদন্তটা বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে। অভিজ্ঞদের দিয়ে তা করাতে হবে।
আবার সুইফট যে বক্তব্য দিয়েছে তাকেও গ্রহণযোগ্য মনে করি না। তারা বলে দিল তাদের কোনো দায় নেই। তারা বলতে পারত যে আপাতদৃষ্টিতে কোনো সমস্যা দেখতে পারছে না তারা, তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। আমরা জানি সুইফটের আঞ্চলিক অফিস থেকে বাংলাদেশ তেমন সহযোগিতা পাচ্ছে না। এতে কিন্তু আমার সন্দেহ হচ্ছে। যে সংকেতলিপি ব্যবহৃত হয়, তা তারা জানে তা বলব না। তবে সেটি তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। সেই জন্য মনে হয় এটি ভালোভাবে খতিয়ে দেখা উচিত।
এআইজে





