১৯তম ঢাকা আর্ন্তজাতিক বাণিজ্যমেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার জিতে নিয়েছে ওয়ালটন। একই সাথে পেয়েছে শীর্ষ করদাতার স্বীকৃতি।  
সোমবার বাণিজ্যমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের হাত থেকে শ্রেষ্ঠ প্যাভিলিয়নের পুরস্কার গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাষ্ট্রিজের নির্বাহী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর।
জানা গেছে, প্যাভিলিয়নের অপূর্ব স্থাপত্য ও নির্মাণশৈলী, দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন, দর্শক-ক্রেতার পছন্দ, বিশ্বমানের দেশীয় পণ্যের সম্ভার ইত্যাদি বিবেচনায় রেখে ওয়ালটন প্যাভিলিয়নকে সেরা হিসেবে নির্বাচিত করেছে মেলা কর্তৃপক্ষ।
বাণিজ্য মেলায় যে সব ক্যাটেগরিতে পুরষ্কার দেয়া হয় এটি তার মধ্যে প্রথম ক্যাটেগরির পুরষ্কার। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ বিক্রেতা ও সেরা করদাতা নির্বাচিত হয়েছে ওয়ালটন। এছাড়া দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন হাতিল কমপ্লেক্স লি. ও তৃতীয় আকতার ফার্নিচার্স লি.।
প্যাভিলিয়ন ক্যাটেগরির পুরষ্কারের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনায় নেয়া হয় তাহলো স্থাপত্যশৈলী, রপ্তানি কারক কিনা, পণ্যের ব্র্যান্ড ভ্যালু, প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদন করে কিনা, প্যাভিলিয়নের লোকবল ও তাদের আচরণ, পরিষ্কার-পরিছন্নতা, বিক্রির পরিমাণ ইত্যাদি।
এদিকে গত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় ওয়ালটন এবার সর্বোচ্চ ৮ লাখ ১০ হাজার ৬১৩ টাকা কর প্রদান করে শীর্ষ করদাতার স্বীকৃতি পেয়েছে। পাশাপাশি, ইলেক্ট্রনিক্স ও অটোমোবাইলস পণ্যের সেরা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানও ওয়ালটন।
দেশের শীর্ষ ইলেক্ট্রিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স, অটোমোবাইলস ও গৃহস্থলী পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ওয়ালটন গত বছরগুলোতেও বাণিজ্যমেলায় আকর্ষণীয় প্যালিভিয়ন নির্মাণ করে জিতে নিয়েছে সেরা প্যাভিলিয়নের পুরস্কার।
এ প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবীর বলেন, এই পুরষ্কার আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। বিশ্বমানের প্রযুক্তি পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে দেশবাসীর কাছে পৌছে দিতে ওয়ালটন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এসব পণ্য রপ্তানিও করছি। ওয়ালটনকে বলা চলে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশী পণ্যের ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর।
প্রসঙ্গত: ২০০৪ সালে প্রথমবারের মত বাণিজ্যমেলায় দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়ন স্থাপন করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ওয়ালটন। সেবার মেলায় প্রথমবারের মত অংশ নিয়ে ওয়ালটন দ্বিতীয় সেরা প্যাভিলিয়নের পুরস্কার জিতেছিল।
উল্লেখ্য, এবছর ৩২ ক্যাটাগরির ৪০০ মডেলের দেশীয় ইলেক্ট্রিক্যাল, ইলেক্ট্রনিক্স, অটোমোবাইলস ও গৃহস্থলী পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করে ওয়ালটন। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর প্যাভিলিয়ন ছাড়াও ক্রেতাদের আগ্রহ ও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ওয়ালটনের বিশ্বমানের পণ্য। এবার মেলায় বিপুল পরিমাণ বিক্রি ছাড়াও নেপাল, মায়ানমার, তানজানিয়ায় প্রায় ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের (৪০ কোটি টাকা) পণ্য রপ্তানির অর্ডার পেয়েছে ওয়ালটন।
[b]ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]