সিরিয়ার ইদলিবে তুর্কি বাহিনীর অভিযানে ১৫১টি ট্যাংক ধ্বংসের দাবি করেছে তুরস্ক। বুধবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রলাণালয় এ কথা জানায়।
জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ইদলিবে অপারেশন স্প্রিং শিল্ডের আওতায় আসাদ বাহিনীর ৩ হাজার ১৩৬টি যুদ্ধ উপাদান ধ্বংস করা হয়েছে।
এর মধ্যে নতুন আক্রমণে ১৫১টি ট্যাংক, ৪৭টি আর্টিলারি, ২টি যান, ৩টি যুদ্ধবিমান, ৮টি হেলিকপ্টার, ৩টি ড্রোন এবং ৮টি বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়।
এ ছাড়া ৫২টি বহুমুখী রকেট লাঞ্চার, ১২টি এন্টি ট্যাংক, ২৪টি সামরিক যান, ২৭টি সাজোঁয়া যান, ৩৪টি সাজোঁয়া পিকআপ ও ৪টি মর্টার ধ্বংস করা হয়েছে।
তুর্কি কর্তৃপক্ষ প্রায়শই নিরপেক্ষ শব্দটি ব্যবহার করে প্রশ্নবিদ্ধ উপাদানগুলোকে আত্মসমর্পণ, হত্যা বা বন্দি করা বোঝানো অর্থে।
এ দিকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আসাদ বাহিনীর হামলায় দুই তুর্কি সেনা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া হামলায় ৬ সেনা আহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের শহীদদের আল্লাহ ক্ষমা করুন এবং তাদের পরিবারের প্রতি রইল সমবেদনা। আমরা আমাদের সমবেদনা সব তুর্কি জাতির মধ্যে শেয়ার করছি। আমরা আশা প্রকাশ করছি, আহতরা দ্রুত সেরে উঠবে।
গত ফেব্রুয়ারি সিরিয়ার ইদলিবে আসাদ বাহিনীর বিমান হামলায় তুরস্কের ৩৪ সেনা নিহত হন। এর পরই গত রোববার আঙ্কারা ইদলিবে অপারেশন স্প্রিং শিল্ড পরিচালনা শুরু করে।
আসাদ বাহিনী ও জোটের হামলা থেকে ইদলিবে বেসামরিকদের নিরাপদে রাখতে ২০১৮ সালে তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে তুরস্ক দাবি করছে সে চুক্তি মানছে জোট।
এমআর





