বাংলাদেশে ট্রাকটর এবং ওষুধ শিল্পে যৌথ বিনিয়োগে বেলারুশের উদ্যোক্তারা আগ্রহী বলে শিল্পমন্ত্রীকে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বেলারুশের রাষ্ট্রদূত ভিটালি এ. প্রিমা । তিনি বলেন, বেলারুশের শতকরা ৬০ ভাগ ওষুধের চাহিদা আমদানি করে মেটানো হয়। বাংলাদেশে ওষুধ শিল্পে যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে দু’দেশই লাভবান হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বেলারুশের রাষ্ট্রদূত বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সাথে বৈঠককালে এ আগ্রহের কথা জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 
বৈঠকে শিল্পখাতে দ্বিপাক্ষিক সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এসময় অটোমোবাইল ও  আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদনখাতে বিনিয়োগের বিষয়টি স্থান পায়। বেলারুশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগে প্রস্তাবিত ট্রাকটর সংযোজন কারখানা ‘মিন্সক ট্রাকটর ওয়ার্কস’ এর   বাস্তবায়নে শিল্পমন্ত্রীর সহায়তা কামনা করেন।  
শিল্পমন্ত্রী বলেন, আধুনিক কৃষিখাত গড়ে তুলতে সরকার প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশে ব্যবহার উপযোগি ট্রাকটরসহ কৃষি যন্ত্রপাতি উৎপাদন শিল্পে যৌথ বিনিয়োগের প্রতি সরকারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বেলারুশের সাথে যৌথ বিনিয়োগে ট্রাকটর সংযোজন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি) প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আমির হোসেন আমু বলেন, বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা বর্তমানে বিশ্বমানের ওষুধ উৎপাদন করে থাকে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৮০ টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। বেলারুশের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে ওষুধ শিল্পখাতে বিনিয়োগ করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বেলারুশে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে শুল্কমুক্ত সুবিধা বৃদ্ধির তাগিদ দেন।
বৈঠকে শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি) এর চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমানসহ শিল্প এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]