দশম জাতীয় সংসদের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে ১০ম জাতীয় সংসদের ১১তম অধিবেশন শুরু হয়। এটি বাজেট অধিবেশনও।
এরপর বিকাল ৩টা ৪২ মিনিটে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং প্রস্তাবিত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী।
অধিবেশনে উপস্থিত আছেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সরকার ও বিরোধী দলের প্রায় সব সংসদ সদস্য।
প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার এই বাজেটের মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৭ কোটি টাকা যার এক লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা যাবে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি)।
আর অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা যার বড় একটি অংশ যাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং পেনশনে। এর সঙ্গে বিদেশী ঋণের সুদ মেটানোর দায়ও রয়েছে।
এটি মুহিতের বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের তৃতীয় এবং ব্যক্তিগত দশম বাজেট। অবশ্য এরই মধ্যে টানা সাতবার বাজেট দেয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি। এবার হতে চলেছে অষ্টম।
এছাড়া এরশাদ সরকারের সময়ও (১৯৮২-৮৩ এবং ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছর) দুটি বাজেট দিয়েছিলেন মুহিত।
বাজেট পেশের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সফলতা তুলে ধরে সংসদে একটি 'পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন'র আয়োজন করা হয়।
এর আগে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। বিকাল পৌনে ৩টার দিকে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
ওএফ





