বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরি হওয়ার ঘটনায় ব্যাংক থেকে বেশ কিছু আলামত জব্দ করেছে সিআইডি (ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট) ।
বৃহস্পতিবার বিকালে সিআইডি এসব আলামত জব্দ করে।
সিআইডি সূত্র জানায়, তদন্ত দল ব্যাংকে যায়। সেখানে তারা কার্যক্রম চালায়। এ সময় ব্যাংক হতে বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়।
ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের আগেই জানানো হয়েছিল, আজ (বৃহস্পতিবার) ছুটির দিনেও তারা যেন ব্যাংকে উপস্থিত থাকেন।
সিআইডি (পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন জানান, মামলাটি তারা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরি হওয়ার ঘটনায় গত ১৫ মার্চ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক যুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের নামে একটি মামলা করেন।
মামলার পরই ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মারুফ হোসেন সরদার জানিয়েছিলেন, এ মামলার তদন্ত করবে সিআইডি।
এর আগে বুধবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক শাহ আলমের নেতৃত্বে সিআইডির একটি তদন্ত দল বাংলাদেশ ব্যাংকে যায়।
মঙ্গলবার থেকে দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে নেমেছে সংস্থাটি।
সিআইডির একটি সূত্র জানায়, এ ঘটনায় সদ্য পদত্যাগ করা গভর্নর ড. আতিউর রহমান এবং অপসারণ করা দুই ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম ও নাজনীন সুলতানাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় মঙ্গলবার মতিঝিল থানায় মামলা হয়েছে।
মামলার পর গ্রেফতার ও আটকের বিষয়ে আইনশৃংখলা বাহিনীর তিনটি সংস্থা নিজেরা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে মামলার নথিপত্র রাতেই হস্তান্তর করে মতিঝিল থানা পুলিশ। অপরদিকে র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশও কাজ শুরু করেছে। যদিও র্যাবের পক্ষে আরও কয়েকদিন আগে থেকেই ছায়া তদন্ত শুরু করা হয়।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আইনশৃংখলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট সমন্বিতভাবে কাজ করবে। সংস্থাগুলোর উদ্দেশ্য একটাই, ঘটনার রহস্য বের করা। এ ঘটনায় সমন্বয় করার জন্য ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে যথাযথ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
ওএফ





