বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক বলেছেন, দেরি হলেও তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর প্রত্যেক শ্রমিক মার্চের বেতন পাবেন

শনিবার (৪ এপ্রিল) রাত পৌনে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক অডিও বার্তায় তিনি এই কথা তুলে ধরেন। অপর একটি বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকরা যে যেখানে আছেন, সেখানেই যেন অবস্থান করেন, এটা এখন আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।

অডিও বার্তায় রুবানা হক বলেন, শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার সময় সাধারণত মাসের সাত কর্মদিবস, যেটা ১০ তারিখে শ্রমিকরা পান। তবে প্রথমত, কোনও ব্যাংক এখন টাকা দিচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, নেগোশিয়েটিভ করতেও সময় লাগবে (৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে ঋণ পেতে)। সেক্ষেত্রে ১০ তারিখের যায়গায় ১৫ তারিখ হয়, হবে। তবে মার্চ মাসের বেতন প্রতিটি শ্রমিক পাবেন, এই নিশ্চয়তা দিতে পারি। এর আগে, অপর এক অডিও বার্তায় তিনি তৈরি পোশাক কারখানাগুলো আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত সব গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে রুবানা হক বলেন, “সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য সব কারখানার মালিক ভাই ও বোনদের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।”

রুবানা হক আরও বলেন, শ্রমিকরা মার্চ মাসের বেতন পাবেন। মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনও অনীহার সুযোগ নেই। কোনও শ্রমিক যদি কোনও কারণে উপস্থিত না থাকেন, তাহলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিও থাকবে বলে জানান তিনি।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে অপর এক অডিও বার্তায় রফতানিমুখী পোশাক কারখানা খোলা রাখার কথা বলেছিলেন রুবানা হক। তিনি বলেছিলেন, কাজের অর্ডার থাকলে পোশাক কারখানা খোলা রাখতে পারবেন মালিকরা। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। এর কিছুক্ষণ পরই ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি।

এমবি