রাষ্ট্রায়ত্ত চার বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত বেসিক ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেয়া কমপ্লায়েন্স শর্ত পরিপালন হচ্ছে কিনা তা জানতে চেয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ ও তিন বছরের বিভিন্ন তথ্যসহ সাতটি বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংস্থাটি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানোর জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্প্রতি চিঠি দিয়েছে সরকারের অর্থ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ব্যাংকিং খাতে বেশ কয়েকটি জালিয়াতির ঘটনার পর রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও বেসিক ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমঝোতা স্মারক সই হয়। সমঝোতায় ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশিত সীমায় ঋণ প্রদান, খেলাপি কমিয়ে আনা, লোকসানি শাখা কমানোসহ সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে অঙ্গীকার করে। এসব বিষয় সঠিকভাবে পরিপালন হচ্ছে কিনা তা জানতে চেয়েছে আইএমএফ।
এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের গত ডিসেম্বরের সার্কুলার অনুযায়ী সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালীসহ অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের তথ্য চেয়েছে আইএমএফ। তাছাড়া খেলাপি ঋণ নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পরিকল্পনাও জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্র জানায়, হল-মার্ক ও বিসমিল্লাহ কেলেঙ্কারির পর ব্যাংকগুলোর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তারই অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এটি সঠিকভাবে পরিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশ দেয়া হয়।
ব্যাংকগুলোর এমডিদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করে এটি জানিয়েও দেয়া হয়। এর পর থেকে ব্যাংকগুলোর কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। ঋণ দানের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সতর্ক। ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায়ও বেশ উন্নতি হয়েছে। তবে অটোমেশনের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত উন্নতি হচ্ছে না।
ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর





