অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার মতো দেশের সমপর্যায়ে গিয়েছে। আমরা দরিদ্রতম দেশের মানুষ ছিলাম, আমাদের মিসকিন বলা হতো। এখন আর আমাদের মিসকিন বলবে না।

মঙ্গলবার (০২ মার্চ) মতিঝিলে সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মুজিব কর্নার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, শুধু একটি ম্যুরাল আর একটি মুজিব কর্নার করে দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এখানে ভালো ভালো বইগুলো রাখতে হবে। যাতে মানুষজন সময় পেলে এখানে এসে ১০-১৫ মিনিট বসে কিছু পড়তে পারে।

মুস্তফা কামাল বলেন, গেল ২৬ তারিখে আমরা অভিশাপমুক্ত হলাম। আমরা দরিদ্রতম দেশের মানুষ ছিলাম, আমাদেরকে মিসকিন বলা হতো। এখন আর আমাদেরকে মিসকিন বলবে না। আজকে আমরা মালয়েশিয়ার সঙ্গে একই কাতারে আছি, এটা আমাদের গর্ব।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কখনো নীতির সঙ্গে আপস করেননি। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন এদেশের মানুষের ভৌগলিক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক মুক্তি একটি ভূখণ্ড। একটি মানচিত্র দিয়ে গেছেন তিনি। বাঙালি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তারই দেখানো পথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসমাপ্ত কাজগুলো করছেন।

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের সিইও এ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো: আতাউর রহমান প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: আসাদুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকরা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলেরা এমডি এবং সিইওরা।

উল্লেখ্য, সোনলী ব্যাংকের দ্বিতীয় তলায় একটি কক্ষে করা হয়েছে মুজিব কর্নার। ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংক সৃষ্টির অধ্যাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষরের আলোকচিত্র, তাকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন বই, বিভিন্ন ঐতিহাসিক আলোকচিত্র ও ম্যুরাল দিয়ে সাজানো হয়েছে এই সংগ্রহশালা ও প্রদর্শনীকেন্দ্র।

এমবি