প্রশিকার রায়পুর উপজেলা কর্মকর্তারা গ্রাহদের প্রায় ১৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে ২০ জন গ্রাহক তাদের আমানতের টাকা না পেয়ে রায়পুর উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দপ্তরে অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি ঢাকায় প্রশিকা কার্যালয়কে ও জানিয়েছেন। রায়পুর প্রশিকার দুই কর্মকর্তা তাদের কার্যালয়ে তালা দিয়ে পালিয়ে যান।

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক বামনী ইউনিয়নের মোবাশ্বেরা,মরিয়ম, রানী, আকলিমা ও চরপাতা গ্রামের ফাতেমা আক্তারসহ ১৫/১৬জন মিলে সাংবাদিকদের জানান, প্রায় ১২ বছর আগে উপজেলা পরিষদের সামনে নূর হোসেন নামে এক লন্ডন প্রবাসীর ভবনে প্রশিকা এনজিও তাদের কার্যক্রম শুরু করেন।

জানা যায়, তারা পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নে ১০ থেকে ১৫ জন নারী নিয়ে একটি সমিতি গঠন করেন। প্রতিটি ইউনিয়নের এ সমিতিতে একজন নারীর নেতৃত্বে অন্য সদস্যদের মধ্যে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে ঋণ দেয়া এবং একশ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আমানত জমা রাখে। এ ১০ ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক গ্রাহক রয়েছে তাদের। এভাবে চলার পর ৬ মাস আগে প্রশিকার কার্যালয় গিয়ে দেখা যায় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের কার্যালয়ে নেই।

এদিকেম্যানেজার মুজিবসহ অন্য কর্মকর্তারা ৪ মাস আগেই কার্যালয় ছেড়ে চলে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আলম ও ওসি একেএম মনজুরুল হক আকন্দ বলেন, প্রশিকার কয়েকজন গ্রহকরা অভিযোগ করেছেন। তবে ম্যানেজার না থাকায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।

ঢাকা,একে,১৩ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর