‘পণ্যে পাট জাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’ যথাযথ ভাবে প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার (৩০নভেম্বর) থেকে সারাদেশে এক যোগে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে।

সড়ক, মহাসড়ক, চাল উৎপাদনকারী এলাকাসহ ঢাকার প্রবেশ মুখও সারাদেশে সপ্তাহ ব্যাপী এ অভিযান চলবে।

শনিবার (২৮নভেম্বর) বিকেলে সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে রাজশাহী জেলা তথ্য কর্মকর্তা নাফেয়ালা নাসরিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এতে বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সারও চিনি- এ ছয়টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটের বস্তার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত ছয়টি পণ্যের প্যাকেট মোড়কীকরণে পাটের ব্যবহার না করলে, ব্যাংক ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে না মর্মে সব তফসিলি ব্যাংক গুলোকে নির্দেশ দিয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্ধারিত পণ্য আমদানি ও রফতানিকালে পাটজাত পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করলে তা বাতিল হবে বলে শর্তারোপ করেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় চাতাল মিল মালিকদেরকে পাটের ব্যাগে মোড়কীকরণ করা না হলে, তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে নির্দেশনা জারি করেছে।

সড়ক পরিবহণ সমিতি পাটের ব্যাগ ছাড়া প্লাস্টিক ব্যাগে পণ্য পরিবহণ না করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

ওই আইনের ১৪ ধারায় পণ্যে পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করে কৃত্রিম মোড়কে কোনো পণ্য বা পণ্য সামগ্রী মোড়কজাতকরণ, বিক্রয়, বিতরণ বা সরবরাহ করলে বা অনুমতি দিলে তিনি অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এছাড়া ১৫ ধারায় উল্লিখিত অপরাধ পুনঃসংগঠনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের দ্বিগুণ দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। পরবর্তীতে এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানে হয় ওই তথ্য বিবরণীতে।

এমএ