ব্যবসায়ীরা কুরবানীর পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেছেন। শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্য নির্ধারণের এ ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন সহ এ সংশ্লিষ্ট তিন সংগঠন।

ঘোষণা অনুযায়ী, রাজধানীর ভেতরে এবার লবনযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। আর বাইরে এই দাম ৪০ টাকা। খাসির চামড়া লবনযুক্ত সারাদেশে ২০ টাকা। বকরির চামড়া লবনযুক্ত সারাদেশে ১৫ টাকা।

এর আগে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার মূল্য ৪০-৪৫ টাকা নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব দেওয়া হয়।

মন্ত্রণালয় সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে শুক্রবারের মধ্যে পুনরায় নির্ধারণের জন্য নির্দেশ দেয়। গত বছর ট্যানারি ব্যবসায়ীরা ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দর নির্ধারণ করেছিলেন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। আর ঢাকার বাইরে এর দর ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত মহিষের চামড়ার দর ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। খাসির চামড়া ২০ থেকে ২২ টাকা। আর বকরি ও ভেড়ার চামড়ার দর ছিল ১৫ থেকে ১৭ টাকা।

২০১৪ সালে ট্যানারি ব্যবসায়ীরা ঢাকায় প্রতিফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া কেনেন ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। ঢাকার বাইরে এ দর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত মহিষের চামড়ার দর ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, খাসির চামড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা ও বকরির চামড়ার দর ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা।


এমএনজে