রোববার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে।শুরুতে ক্রয় চাপ থাকলেও ৫৩ মিনিট পর সেল প্রেসারে সূচক টানা পরতে থাকে সূচক। এরই ধারাবাহিকতায় টানা তিনদিন উত্থানের পর পতনে বিরাজ করছে বাজারে।কমেছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর।

আজ দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেনের অংক ৭৩৩ কোটি টাকা।অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় শেষ হয় লেনদেন।

সার্বিকভাবে পুঁজিবাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।বর্তমানে বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে ধারাবাহিক উত্থানে সূচক ১০ হাজার পয়েন্ট গেলেও বাজার স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান ড. খায়রুল হোসেন।

এসইসি চেয়ারম্যানের মনে করেন, সরকার বর্তমানে যেভাবে বাজারকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে তাতে আগামীতে দীর্ঘ সময় ধরেই এ স্থিতিশীল অবস্থা টেকসই হবে।

জানাযায়, দেশের চাইতে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে বেশি সক্রিয় হয়েছেন। সামনে বাজার ভালো যাবে এমনই প্রত্যাশা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টসহ নীতিনির্ধারকরা। 

রোববার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স গত দিনের চেয়ে ০.৭৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৮২২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ০.০৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১৪৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৭৮৩ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া কোম্পানি ৩২২টি । মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৬টির, কমেছে ১৩৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৭টির। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৪০ লাখ ৩ হাজার টাকা।

এদিকে, দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ মূল্য সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯০৩৬ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৪৩টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৩টির, কমেছে ১০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির।লেনদেন হয়েছে ৪৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

নাজিব