দীর্ঘ ৮ মাস পর রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন ৮০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৩৮ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার। এর আগে চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি ডিএসইতে ৮৫৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। এদিকে ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক আজ ৪ হাজার ৭০০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, রোববার ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৫২ কোটি ২৫ লাখ টাকার বা ২২ শতাংশ। আর আগের দিন এ বাজারে ৬৮৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।
এদিন ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৭১৩ পয়েন্টে। আর ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১১২ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৮১৪ পয়েন্টে।
এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩০১টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১২৫টি কোম্পানির। আর দর কমেছে ১৪৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির।
এছাড়া ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এমজেএলবিডি, বিএসআরএম স্টীল, লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট, এসিআই, বেক্সিমকো, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গ্রামীণ ফোন, আমরা টেকনোলজি, সিঙ্গারবিডি,এবং হেইডেলবার্গ সিমেন্ট।
প্রসঙ্গত, জানুয়ারির পর থেকে গত ৬ মাস দেশের পুঁজিবাজার চরম মন্দাবস্থা পার করেছে। এমকি এ বাজারের লেনদেন এক সময় ১০০ কোটির ঘরে নেমে আসে। তবে আগস্ট মাস থেকে আবার গতিশীল হতে শুরু করে পুঁজিবাজার। ধীরে ধীরে লেনদেন বাড়তে থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, আগস্ট মাস থেকেই পুঁজিবাজারে ইতিবাচক ধারা রয়েছে। আর বাজারের এই ইতিবাচক ধারা বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরী করেছে। এতে সাইডলাইনে থাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীদরে সাথে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে।এর ফলে লেনদেনে প্রভাব পড়েছে।
অপরদিকে রোববার সিএসই সার্বিক সূচক ১১৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৪ হাজার ৫৬৮ পয়েন্টে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২২৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির
বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। সে হিসেবে রবিবার সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১১ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর





