হলমার্কের সহযোগি এবং ভুয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংক হোটেল রুপসী বাংলা শাখার ৭৫৫ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৩ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ওই ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, গতকাল সোমবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জজ ড. মো. ফজলে এলাহী ভুইয়ার আদালতে হোটেল রুপসী বাংলা শাখার ডিজিএম মো. আবুল হাশেম বাদী হয়ে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজহারে বলা হয়েছে,২০১১ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে ২০১২ সালের ২৮ মার্চ পর্যন্ত হলমার্কের বেনামী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের নামে সোনালী ব্যাংক রুপসী বাংলা শাখা থেকে ১৭৬টি ভাউচার মাধ্যমে আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ৫২৫ কোটি ৬০ লাখ ৩৮ হাজার ৬০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।
ওই টাকা ২০১৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সুদসহ ৭৫৫ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৩ টাকা হয়েছে। আর এ টাকা পরিশোধ না করায় সোনালী ব্যাংক এ মামলাটি দায়ের করে।
এ মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, হলমার্ক প্যাকেজিং লি., হলমার্ক ডিজাইন ওয়্যার লিঃ, মুশানা ওয়্যার প্রডাক্ট লিঃ,ম্যাক্স স্পিনিং মিলস, ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের মালিক মীর জাকারিয়া, হলমার্ক ফাশন লিমিটেড, হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেডের এমডি মো. তানভীর মাহমুদ, চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, প্যারাগনের মালিক সাইফুল ইসলাম রাজা,
সেঞ্জুরি ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো.জিয়াউর রহমান, আনোয়ার স্পিনিং মিলর্সের মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. শহিদুল ইসলাম, স্টার স্পিনিং মিলর্সের মালিক আবদুল. বশির, মেসার্স পেপার মার্টের মালিক তুষার আহম্মদ তেতুলজড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো জামাল উদ্দিন সরকার।
আর সোনালী ব্যাংক হোটেল রুপসী বাংলা শাখার সাবেক ডিজিএম এ কে এম আজিজুর রহমান, সাবেক এজিএম মো. সাইফুল, সাবেক নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মতিন, সাবেক সিনিয়ার নির্বাহী অফিসার মেহেরুন নেছা, সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের সাবেক এমডি মো. হুমায়ুন কবির, সাবেক ডিএমডি আতিকুর রহমান,
সাবেক ডিএমডি মাইনুল হক, সাবেক জিএম ননী গোপাল নাথ,সাবেক ডিজিএম শফিজ উদ্দিন আহম্মদ, সাবেক এজিএম কামরুল হোসেন, সাবেক জিএম মীর মহিদুর রহমান, সাবেক জিএম শেখ আলতাফ হোসেনও আসামি। উল্লেখিত আসামিরা দুদকের মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি বলে জানা যায়।
ঢাকা, একে, ১২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর, জেএ





