'ভারত থেকে আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ লাভবান হচ্ছে' এমনটিই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি ভারতের পক্ষে যায়- সমালোচকদের এ বক্তব্যের জবাবে একথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, “রপ্তানির ক্ষেত্রে দুইটি পণ্য (মদ ও তামাক) বাদে বাংলাদেশকে কোটা ও শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে ভারত। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ এখন প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। যদিও এর সুবিধাটা এখন ভারতের পক্ষেই যাচ্ছে।
“তারপরও আমরা এখান থেকে উপকৃত হচ্ছি। দেশে কোনো পণ্যের দাম বাড়লে আমরা তা ভারত থেকে আমদানি করি।”
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ইন্ডিয়ান টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিকাল কো-অপারেশন (আইটিইসি) এবং দ্যা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) দিবসের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে স্কলারশিপ স্কিমের আওতায় ভারত থেকে পড়ে আসা শিক্ষার্থীরা ছাড়াও ভারত সরকারের আমন্ত্রণে গত চার বছরে ভারত ঘুরে আসা ৪০০ তরুণ উপস্থিত ছিলেন।
ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ককে ‘অনেক গভীর’ উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর সফরের পর তা ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “আগামীতে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবেন, কেননা তাদের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে। ভারত সরকারও বাংলাদেশের জন্য জায়গা দিতে রাজি হয়েছে।”
“আমাদের সম্পর্ক এখন সর্বোচ্চ চূড়ায় রয়েছে”, বলেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, “বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল। আর এই সম্পর্ক কীভাবে সামনে এগোয়, তা শুধু ভারতের জনগণের নয়, বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যও নিরূপণ করবে।”
এমআর





