২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেষের দিকে চলে আসলেও ভিড় বাড়েনি। গত বছর নির্বাচনী সহিংসতা আর চলতি বছর অবরোধ-হরতালে দৃশ্য পরিবর্তন হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ এ বাণিজ্য মেলার।

মাসব্যাপী এই মেলার চব্বিশতম দিনেও ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরের তুলনায়ও তাদের বিক্রি অনেকাংশেই কম।

উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শতরঞ্জি ব্যবসায়ী পিন্টু হোসেন বলেন, এবার মেলার অবস্থা খুবই খারাপ। বিক্রি একেবারেই কম। লোকজন আসতে পারছেনা। মালামাল ছিল প্রচুর। সে অনুযায়ী ক্রেতা নেই।

আরেক ব্যবসায়ী জানান, এ মেলার জন্য তারা উন্মুখ থাকেন। কারণ বিক্রির পাশাপাশি তাদের পণ্যের পরিচিতি গড়ে উঠে এখানে।

পারটেক্স গ্রুপের বিক্রয় বিভাগের ব্যবস্থাপক সুজিত চক্রবর্তী বলেন, আমরা যেমন আশা করেছিলাম ক্রেতাদের তেমন সাড়া পাচ্ছি না। বিশেষ করে বিদেশি কোনো ক্রেতা এখন পর্যন্ত আমাদের প্যাভিলিয়ানে আসেনি। গত বছর বিদেশি ক্রেতাদের ভালো সাড়া পেয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, পারটেক্সের সব ধরনের ফার্নিচারে আমরা ১৮ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছি। মেলা উপলক্ষে প্রায় ৭০ শতাংশ নতুন মডেলের ফার্নিচার আমরা বাজারে এনেছি। বিক্রি এবং পণ্যের পরিচিতি কোনোটাই হচ্ছেনা।

এবারের মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৯৭ টি। মোট মিনি প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৫৮ টি। মোট স্টলের সংখ্যা ৩৫১ টি। এছাড়া রেস্তোরা ১০ টি, মা ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র ০৪ টি। যার মধ্যে লে-আউট প্লান অনুযায়ী মোট ৫১৬ টি স্টল বা প্যাভিলিয়ন বরাদ্দের ব্যবস্থা আছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত এ মেলায় এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশ থেকে বাংলাদেশসহ ১৫ টি দেশ অংশ নিয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অষ্ট্রেলিয়া, বৃটেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জামার্নি।

কেএইচ