গত আগস্ট মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্টে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯১ শতাংশে, যা জুলাই মাসে ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এ সময় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

এ ছাড়া খাদ্যবর্হিভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে  ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ সব তথ্য প্রকাশ করেন।

পরিসংখ্যান দিক থেকে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্টে কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৮৩ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। খাদ্যবর্হিভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

অন্যদিকে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক শূন্য দশমিক ৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। খাদ্য বর্হিভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের শেষে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশে দেখতে চাই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মন্দা থেকে বেরিয়ে আসছে তাই বছর শেষে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে নিয়ে যেতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হবে আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ দলিল। আমরা ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের উন্নত দেশে পরিণত হতে চাই।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনা সচিব ভূঁইয়া সফিকুল ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর