ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে টাকার বিপরীতে ৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ কমেছে ভারতীয় রুপির দাম। রফতানির দিক বিবেচনা করলে এটি নেতিবাচক। তবে ভারতে রফতানির তুলনায় বাংলাদেশ আমদানি করে বেশি। এ কারণে সামগ্রিকভাবে টাকার দর বৃদ্ধি ইতিবাচক হিসেবে দেখা দিয়েছে।
মূলত ডলারের বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থানের সময় রুপির দরপতনের কারণে এমন হয়েছে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা। তাদের মতে, দীর্ঘ মেয়াদে এ ধারা চলতে থাকলে রফতানিতে এর প্রভাব পড়তে পারে। যার সুবিধা পাবে ভারত।
সাধারণত ডলারকে ধরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বিনিময়ের হিসাব করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডলারের বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান বজায় থাকলেও ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে রুপির ব্যাপক দরপতন হয়েছে। গত ডিসেম্বর শেষে প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হয়েছে ৬২ রুপি। অথচ জুন শেষে ৫৯ দশমিক ৮৫ রুপিতে ১ ডলার পাওয়া গেছে।
এতে ছয় মাসে ডলারের বিপরীতে রুপির দরপতন হয়েছে ২ দশমিক শূন্য ১৫ রুপি, যা ৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর গত ডিসেম্বর শেষে ৭৭ টাকা ৭৫ পয়সা দরে প্রতি ডলার পাওয়া গেছে। গত জুন শেষে প্রতি ডলারের দর দাঁড়িয়েছিল ৭৭ টাকা ৭৬ পয়সা। এ হিসাবে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে টাকার বিপরীতে ডলারের দর বেড়েছে মাত্র ১ পয়সা। ডিসেম্বর শেষে প্রতি রুপি ১ টাকা ২৬ পয়সায় কেনা গেছে।
আমদানি তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশ মোট ৩ হাজার ৩৯৭ কোটি ডলারের সমপরিমাণ পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্যে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৪৭৪ কোটি ডলারের পণ্য, যা মোট আমদানির ১৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। আর গত অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রফতানির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৭০৩ কোটি ডলার।
এর মধ্যে ভারতে রফতানি হয়েছে মাত্র ৫৬ কোটি ডলার মূল্যমানের পণ্য। এতে গত অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪১৮ কোটি ডলার, যা ৭৪৬ শতাংশ। এ কারণে ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দিয়েছে।
[b]ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসএমআর[/b]
অর্থনীতি
ভারতীয় রুপির বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে টাকা
ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে টাকার বিপরীতে ৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ কমেছে ভারতীয় রুপির দাম। রফতানির দিক বিবেচনা করলে এটি নেতিবাচক। তবে ভারতে রফতানির তুলনায় বাংলাদেশ আমদানি করে বেশি। এ কারণে সামগ্রিকভাবে টাকার দর বৃদ্ধি ইতিবাচক হিসেবে দেখা দিয়েছে।





