চলনবিলে চাষিরা বোরো ধান চাষের বিপরীতে তরমুজের আবাদ করেছেন। বোরো ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় এই তরমুজ চাষের উদ্যোগ। সাফল্যও এসেছে। তরমুজের বাম্পার ফলন দেখে চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে চলনবিল অঞ্চলে ৬৬১ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে।
এ বছর নাটোর জেলার গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, নাটোর সদর ও সিংড়া উপজেলার রামানন্দ, খাজুরা, সোয়াইড়, কৈগ্রাম, জামতলী, চৌগ্রাম, ডাহিয়া, খিরপতা, বাঁশবাড়িয়া, বিয়াস, বিলদহরসহ চলনবিলের বিভিন্ন অঞ্চলে তরমুজের আবাদ হয়েছে।
এবার চলনবিলে তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে, অন্যদিকে পোকার আক্রমণও কম হয়েছে। ইতিমধ্যেই তরমুজ তোলা শুরু হয়েছে।
সিংড়া উপজেলার কৈগ্রাম গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম ও শাজেদুল ইসলাম জানান, এই অঞ্চলের মাটি উপযোগী হওয়ায় পোকামাকড়ের আক্রমণ কম। অধিক মুনাফার জন্যই তারা তরমুজ চাষ করেছেন।
তাছাড়া এই অঞ্চলের মাটির তরমুজ সুস্বাদু হওয়ায় রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এখানের তরমুজের সুনাম আছে বলেও তারা জানান।
জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, নাটোরে গত বছরের তুলনায় এবার বেশি জমিতে তরমুজের চাষাবাদ হয়েছে।
[b]নাটোর, ৩০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
অর্থনীতি
ভালো ফলনে চাষিদের মুখে হাসি
চলনবিলে চাষিরা বোরো ধান চাষের বিপরীতে তরমুজের আবাদ করেছেন। বোরো ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় এই তরমুজ চাষের উদ্যোগ। সাফল্যও এসেছে। তরমুজের বাম্পার ফলন দেখে চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে।





