কোনো ভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না পুঁজিবাজারের পতন। ক্রমাগত মূল্য সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ কমতে কমতে বর্তমানে তা তলানিতে এসে ঠেকেছে। এমনকি দীর্ঘদিন পর ডিএসইর সূচক সাড়ে চার হাজারে অবস্থান করছে। আর লেনদেন ৩ শত কোটি টাকা ঘরে।
রোববার প্রথম কার্যদিবসে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা ফিরে এসেছে। আবারো কমেছে মূল্য সূচক। একই সাথে কমেছে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কোম্পনির শেয়ারের দর। টাকার পরিমানে লেনদেনেও হতাশা।
বিগত ১০ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দৈনিক গড় লেনদেন ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমেছে। যা তার আগের কার্যদিবসগুলোতে ছিল ৪০০ কোটি টাকা।
বাজার বিশ্লেষনে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৪৭৮ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৯৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯৭টির, কমেছে ১৬৫টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২৭৭ কোটি ৭৬ লাখ ১০ হাজার টাকা।
যা চলতি বছর ডিএসই’র দ্বিতীয় সর্বনিম্ন লেনদেন। এর আগে গত ২০ মার্চ ডিএসইতে ২৭৭ কোটি ৬৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা লেনদেন হয়।
বৃহস্পতিবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪২০৮ পয়েন্টে। এদিন লেনদেন হয় ২৯৯ কোটি ৯২ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। রোববার ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ২২ কোটি ১৬ লাখ টাকা।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্য সূচক ৮৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮৬৮৯ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২১৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৩৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ার দর। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
গত বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। রোববার সিএসইতে লেনদেন কমেছে ২ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
[b]ঢাকা, ৩০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]