দেশের মোট অর্জিত করের ৭০ শতাংশই দরিদ্র জনগোষ্ঠীরা প্রদান করে বলে জানিয়েছে ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশের (ইক্যুইটিবিডি) নেতারা এ কথা বলেন। সংগঠনটি অভিযোগ করে বলেছে, ধনী শ্রেণির কর দেওয়ার মনোভাব নেই বললেই চলে। ধনী শ্রেণি কর ফাঁকি দিলেও দরিদ্রদের গলায় ফাঁস লাগিয়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আদায় করছে সরকার।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দরিদ্রের উপর দমনমূলক ভ্যাট সংস্কার এবং বহুজাতিক কোম্পানির কর ফাঁকি-শীর্ষক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। বহুজাতিক কোম্পানির কর ফাঁকিবন্ধের দাবিতে অর্পণ, অনলাইন নলেজ সোসাইটি, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন, উদয়ন বাংলাদেশ, কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশীপ ও বাংলাদেশ ভূমিহীন সমিতিসহ মোট ১৪টি সংগঠন যৌথভাবে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ইক্যুইটিবিডির চিফ মডারেটর রেজাউল করিম চৌধুরী, সদস্য মোস্তফা কামাল আকন্দ, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টের চিফ আমিনুর রশিদ বাবু, কৃষক ফেডারেশনের সভাপতি এ.এস.এম.বদরুল আলম প্রমুখ।
ইক্যুইটিবিডি’র নেতারা বলেন, ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর দরিদ্র ব্যক্তিদের জন্য দমনমূলক একটি ব্যবস্থা। তাই আয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দরিদ্রবান্ধব কর ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
আয়োজক সংগঠনের নেতারা বলেন, দেশের প্রধান চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানি সিম রিপ্লেসমেন্টের নামে নতুন সিম বিক্রি করে ৩,১০০ কোটি টাকা, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানি (বিএটিবি) তাদের ব্রিস্টল ও পাইলট ব্যান্ডের সিগারেটে ১ হাজার ৯২৪ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে।
তারা বলেন, অনেক শিল্প উদ্যোক্তা কৃষি উপখাত বিশেষ করে মৎস্য, ডেইরি অ্যান্ড পোল্ট্রি, খাদ্য ও ফল-মূল প্রক্রিয়াজাতকরণ ইত্যাদি বাণিজ্যিক খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করলেও তারা কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে।
[b]ঢাকা, ৩ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
“৭০ শতাংশ করই দরিদ্র জনগোষ্ঠীরা প্রদান করে”
দেশের মোট অর্জিত করের ৭০ শতাংশই দরিদ্র জনগোষ্ঠীরা প্রদান করে বলে জানিয়েছে ইক্যুইটি এন্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশের (ইক্যুইটিবিডি) নেতারা এ কথা বলেন। সংগঠনটি অভিযোগ করে বলেছে, ধনী শ্রেণির কর দেওয়ার মনোভাব নেই বললেই চলে।





