অধিক লাভের আশায় ভালোভাবে চলার স্বপ্ন নিয়ে ধার দেনা করে আগাম আলু চাষ করেছিল পঞ্চগড়ের চাষিরা। কিন্তু হরতাল অবরোধ তাদের সে স্বপ্ন গুড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে পঞ্চগড়ে প্রতি কেজি আলু মাত্র ১ টাকা ২৫ পয়সা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। ফলে আগাম আলুর চাষ করে পুঁজি হারাতে বসেছে হাজার হাজার কৃষক। [img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391872284.JPG[/img]
পঞ্চগড়ে এখন বিঘার পর বিঘা জমিতে আবাদকৃত আলু পড়ে আছে। কারণ ওই আলু বিক্রি করে লাভতো দূরের কথা, জমি থেকে আলু তুলতে যে খরচ সেটুকুও পাওয়া যাবে না। তাই অধিকাংশ জমির আলু জমিতেই ফেলে রাখা হয়েছে। অথচ অন্যান্য বছর আগাম আলু চাষ করে জেলার চাষিরা বেশ লাভবান হয়েছিল। তাই এবার আবাদকৃত আমন,বোরো,পাট,গমের লোকসান পুষিয়ে নিতে পঞ্চগড়ের অসংখ্য চাষি সবজিসহ আগাম জাতের আলু চাষে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু এ বছর টানা হরতাল অবরোধের কারণে আগাম আবাদকৃত আলু বিক্রি করতে পারেনি তারা।
হরতাল অবরোধের পর গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হলেও সারাদেশের আলু একই সময়ে রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য জেলায় সরবরাহ হওয়ায় আলুর চাহিদা এবং দাম কমে যায়। [img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391872313.jpg[/img]
দীর্ঘদিন জমিতে রেখে দিলে আলুতে কালো দাগ পড়বে তাই ক্ষেতেও আলু রাখতে পারছেন না চাষিরা। ক্রেতার অভাবে অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে আলুর দাম। স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি আলু ২ টাকা দরে বিক্রি হলেও জমিতে ১ টাকা ২৫ পয়সা দরেও ক্রেতা মিলছে না।
চাষীদের অভিযোগ, আলু উৎপাদনে প্রতি বিঘায় কৃষকদের খরচ হয়েছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। আর বর্তমানে বাজার দর অনুযায়ী  প্রতি বিঘার আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা দরে। [img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391872443.jpg[/img]
এ ব্যাপারে পঞ্চগড়ের কৃষি বিভাগ থেকে কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক জানান, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চাইতে অতিরিক্ত জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। ভালো দাম পেলে আগামীতে আলু চাষ আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
[b]ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]