আগের বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ডিএসই থেকে সরকারের রাজস্ব কমেছে ১৬ শতাংশ। জানুয়ারিতে ডিএসইর দুই খাত থেকে মোট ৯ কোটি ৪৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা রাজস্ব আহরিত হয়, ডিসেম্বরে যা ছিল ১১ কোটি ২৯ লাখ ১ হাজার টাকা।

ডিএসই থেকে যে দুটি খাতের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পায় সেগুলো হল- ডিএইর সদস্য কোম্পানি বা ব্রোকারেজ হাউস এবং উদ্যোক্তা-পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার লেনদেন বাবদ তাদের আয় থেকে।

ডিএসই থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে, জানুয়ারি মাসে ব্রোকারেজ হাউসগুলো থেকে ডিএসই রাজস্ব সংগ্রহ করে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার টাকা, যা আগের মাসে ছিল ৬ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

জানুয়ারি মাসে উদ্যোক্তা-পরিচালকের শেয়ার ও প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি থেকে ডিএসই রাজস্ব সংগ্রহ করে ৩ কোটি ৮৮ লাখ ১৭ হাজার টাকা, যা আগের মাসে ছিল ৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৯ হাজার টাকা।

গত বছরের নভেম্বরে ডিএসই থেকে সরকার রাজস্ব পায় ১৭ কোটি ৮৩ লাখ ৬৬৮ টাকা, যা অক্টোবরে ছিল ২৩ কোটি ৩৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা এবং আগস্টে ছিল ২৪ কোটি ৯৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

নভেম্বরে ডিএসইর সদস্য ব্রোকারেজ হাউসগুলো থেকে রাজস্ব আহরিত হয় ১১ কোটি ৫৪ লাখ ৯৪ হাজার টাকা, যা আগের মাসে ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অন্যদিকে নভেম্বরে উদ্যোক্তা-পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার লেনদেন বাবদ রাজস্ব আহরিত হয় ৬ কোটি ২৮ লাখ ৬ হাজার টাকা, যা আগের মাসে ছিল ১০ কোটি ৫৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, ডিএসই থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে আহরিত রাজস্বের পরিমাণ ছিল ১৫৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এ সময় রাজস্ব বেড়েছে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১১-১২ অর্থবছরে ডিএসই থেকে রাজস্ব আহরিত হয় ২৭১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা ২০১০-১১ অর্থবছরে ছিল ৪৪৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

আয়কর অধ্যাদেশ-১৯৮৪’র ৫৩ বিধির আওতায় ডিএসইর লেনদেনের ওপর আরোপিত কর সংগ্রহ করে রাজস্ব খাতে জমা দেওয়া হয়।

এএইচ