বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় আসামি ধরতে রোববার রাত থেকে আজ সোমবার ভোর পর্যন্ত গ্রেফতার অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ অভিযানে বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটির বিশেষ টিম।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালায় দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম। রাজধানীর গুলশান, উত্তরা, বারিধারা, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মেসার্স এমারেল্ড ড্রেস লিমিটেড এর সৈয়দ হাসিবুল গণি, এশিয়ান শিপিং বিডি প্রোপ্রাইটর মো. আকবর হোসেন, ফারশি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়েজুন নবী চৌধুরী এবং বেসিক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ইকরামুল বারী।
তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবালের নেতৃত্বে এ অভিযানে ছিলেন- উপপরিচালক ঋত্বিক সাহা, শামসুল আলম মো. ইব্রাহিম, রফিকুল ইসলাম, মাহবুবুল আলম, সহকারী পরিচালক ফজলে হোসেন ও উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
সূত্র জানায়, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির আসামিরা দুদকের নজরদারিতে রয়েছেন। আসামিদের কেউ যেন বিদেশ যেতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি দমন সংস্থাটি।
সূত্রটি জানায়, কয়েকজন আসামি গ্রেফতার এড়াতে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছেন-এমন তথ্যের ভিত্তিতে দুদক সতর্ক অবস্থান নেয়। বর্তমানে গ্রেফতারকৃত আসামিরা কারাগারে।
প্রসঙ্গত, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে গত বছরের ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর এ তিন দিনে ৫৬টি মামলা করেছেন দুদকের অনুসন্ধান দলের সদস্যরা। রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান থানায় এসব মামলা দায়ের করে দুদক। ৫৬টি মামলায় মোট আসামি ১২০জন। মামলাগুলোতে মোট ২ হাজার ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে বেসিক ব্যাংকের কর্মকর্তা ২৬ জন। বাকি ৯৪ জন আসামি ঋণগ্রহীতা ৫৪ প্রতিষ্ঠানের মালিক। ব্যাংকার ও ঋণগ্রহীতাদের অনেকেই একাধিক মামলায় আসামি।
এম আর





