ভারসাম্যমূলক ও সমন্বিত মুদ্রানীতি প্রণয়নসহ ছয়টি বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে পাঁচ বছর মেয়াদি ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০১৫-১৯’ প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় দফা কৌশলগত পরিকল্পনা। এর আগে ২০১০-১৪ মেয়াদে প্রথম কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছিল।

রাজধানীর মিরপুরে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি’ মিলনায়তনে শনিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান এ কৌশলগত কর্মপরিকল্পনার মোড়ক উন্মোচন করেন।

ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরী ও আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো . আহসান উল্লাহ।

নতুন এ কৌশলগত পরিকল্পনায় ২০১৫-১৯ মেয়াদের জন্য ৬টি বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং ১৪টি কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ১০৫টি অবজেক্টিভ, ৩১০টি এ্যাকশন প্ল্যান এবং ৩৯৫টি কী পারফরমেন্স সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভাগগুলো তাদের নিজ নিজ কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নে আর্থিক ব্যবস্থার অস্থিতিশীলতা ও ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি মোকাবেলায় সামাজিক দায়বোধ প্রণোদিত অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক খাতের অভিঘাত সহনক্ষমতা বৃদ্ধি ও আর্থিক মধ্যস্থতা প্রক্রিয়াকে সচল রাখার মতো বিষয়গুলো সক্রিয় বিবেচনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঁচ বছর মেয়াদি প্রথম ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০১০-১৪’-এর শতকরা ৯৪ শতাংশ প্রায়োগিক সাফল্য অর্জন করেছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

কৌশলগত পরিকল্পনার মোড়ক উন্মোচনকালে ‘স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ২০১৫০-১৯’-এর আলোকে সকল বিভাগ ও শাখা অফিসকে তাদের স্ব স্ব অপারেশনাল পরিকল্পনা তৈরির এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান গভর্নর।

এএইচ